ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

এয়ারবাসের সঙ্গে ১০ উড়োজাহাজের চুক্তি অক্টোবরে: বিমানমন্ত্রী

এয়ারবাসের সঙ্গে ১০ উড়োজাহাজের চুক্তি অক্টোবরে: বিমানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। এ সংক্রান্ত চুক্তি আগামী অক্টোবরেই হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

বিমানমন্ত্রী বলেন, এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে অক্টোবরেই চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।

এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে। নতুন এই চুক্তির ফলে বোয়িংয়ের কাছে বিমানের মোট অর্ডার দাঁড়িয়েছে ২৫টিতে।

এয়ারবাসের প্রস্তাবে চারটি A350-900 ওয়াইডবডি এবং ছয়টি A321neo ন্যারোবডি উড়োজাহাজ রয়েছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের আলোচনা চলমান।

মন্ত্রী জানান, নতুন উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে সেগুলো হাতে পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি ক্রয়ের পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদে লিজের মাধ্যমে উড়োজাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। বহরের সক্ষমতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে সরকার।

এর আগে ১৪টি বোয়িং কেনার চুক্তি করেছিল বিমান। ওই চুক্তির উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩১ সালে শুরু হয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত চলার কথা। সম্প্রতি আরও ১১টি বোয়িং কেনার সম্পূরক চুক্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি 787-10 ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি 737-8 উড়োজাহাজ রয়েছে।

নতুন উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বহরের সক্ষমতা বাড়াতে লিজের মাধ্যমে অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট বাড়ানোর পাশাপাশি অব্যবহৃত স্লট কাজে লাগাতে চায় বিমান।

মন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে বাংলাদেশি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। নিউইয়র্কে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর পাশাপাশি সিডনি রুট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। জাপানে বিদ্যমান ফ্লাইটের পাশাপাশি আরও ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে কোনো বিদেশি চাপ বা শর্ত রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের নিজস্ব প্রয়োজন বিবেচনা করেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। কোন নির্মাতার কাছ থেকে কতটি উড়োজাহাজ নেওয়া হবে, তা বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

ট্যাগ : বিমানমন্ত্রী উড়োজাহাজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এয়ারবাসের সঙ্গে ১০ উড়োজাহাজের চুক্তি অক্টোবরে: বিমানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। এ সংক্রান্ত চুক্তি আগামী অক্টোবরেই হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

বিমানমন্ত্রী বলেন, এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে অক্টোবরেই চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।

এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে। নতুন এই চুক্তির ফলে বোয়িংয়ের কাছে বিমানের মোট অর্ডার দাঁড়িয়েছে ২৫টিতে।

এয়ারবাসের প্রস্তাবে চারটি A350-900 ওয়াইডবডি এবং ছয়টি A321neo ন্যারোবডি উড়োজাহাজ রয়েছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের আলোচনা চলমান।

মন্ত্রী জানান, নতুন উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে সেগুলো হাতে পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি ক্রয়ের পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদে লিজের মাধ্যমে উড়োজাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। বহরের সক্ষমতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে সরকার।

এর আগে ১৪টি বোয়িং কেনার চুক্তি করেছিল বিমান। ওই চুক্তির উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩১ সালে শুরু হয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত চলার কথা। সম্প্রতি আরও ১১টি বোয়িং কেনার সম্পূরক চুক্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি 787-10 ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি 737-8 উড়োজাহাজ রয়েছে।

নতুন উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বহরের সক্ষমতা বাড়াতে লিজের মাধ্যমে অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট বাড়ানোর পাশাপাশি অব্যবহৃত স্লট কাজে লাগাতে চায় বিমান।

মন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে বাংলাদেশি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। নিউইয়র্কে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর পাশাপাশি সিডনি রুট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। জাপানে বিদ্যমান ফ্লাইটের পাশাপাশি আরও ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে কোনো বিদেশি চাপ বা শর্ত রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের নিজস্ব প্রয়োজন বিবেচনা করেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। কোন নির্মাতার কাছ থেকে কতটি উড়োজাহাজ নেওয়া হবে, তা বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ