ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

কিউবা এরইমধ্যে ‘পতনের মুখে’, দাবি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

কিউবা এরইমধ্যে ‘পতনের মুখে’, দাবি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

কিউবা ইতোমধ্যেই ‘পতনের মুখে’ পড়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তার দাবি, দেশটির অর্থনীতি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং সরকারও জনগণের জন্য কার্যকরভাবে কাজ করতে পারছে না।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন রুবিও।

তিনি বলেন, কিউবার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দেশটির মানুষের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো সুফল বয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। তার মতে, দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যেতে পরিবর্তন প্রয়োজন।

রুবিও বলেন, ‘সত্য হলো, কিউবা এরই মধ্যে পতনের মুখে। দেশটির কার্যকর কোনো অর্থনীতি নেই। আর যারা দেশ পরিচালনা করছেন, তারা এখনো এমন এক বিপ্লবের কথা বলে চলেছেন, যার মৃত্যু ঘটেছে ২০ বছর আগেই।’

কিউবার বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি একটি কার্যকর অর্থনীতি বা সরকার—কোনোটিই গড়ে তুলতে পারেনি। তার ভাষায়, ‘কিউবা সব অর্থেই একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।’

কিউবার অর্থনৈতিক সংকটের উদাহরণ হিসেবে দেশটির নাগরিকদের বিদেশে পাড়ি জমানোর বিষয়টিও তুলে ধরেন রুবিও।

তিনি দাবি করেন, ২০২১ সাল থেকে কিউবার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ দেশ ছেড়ে চলে গেছে। তার মতে, এই ব্যাপক অভিবাসন দেশটির ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থতার’ পরিণতি।

রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে কিউবা ভিন্ন একটি পথ বেছে নেবে।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, শুধু অর্থনৈতিক সংস্কার করলেই কিউবার বর্তমান পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন হবে না। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক স্বাধীনতাও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কিউবায় আগে রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সম্ভব নয়।’

রুবিওর ভাষ্য অনুযায়ী, কিউবার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে পরিবর্তন একই সময়ে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য দেশটিতে একটি পরিবর্তনকাল বা ট্রানজিশন পিরিয়ড প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন।

তার এসব বক্তব্য কিউবার বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে মার্কিন প্রশাসনের অবস্থানের একটি প্রকাশ্য সমালোচনা হিসেবে এসেছে। তবে সাক্ষাৎকারে রুবিও যে অর্থনৈতিক ও অভিবাসনসংক্রান্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন, সেগুলো তার নিজের বক্তব্য ও দাবির ভিত্তিতেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ : যুক্তরাষ্ট্র মার্কো রুবিও কিউবা

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কিউবা এরইমধ্যে ‘পতনের মুখে’, দাবি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কিউবা ইতোমধ্যেই ‘পতনের মুখে’ পড়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তার দাবি, দেশটির অর্থনীতি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং সরকারও জনগণের জন্য কার্যকরভাবে কাজ করতে পারছে না।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন রুবিও।

তিনি বলেন, কিউবার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দেশটির মানুষের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো সুফল বয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। তার মতে, দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যেতে পরিবর্তন প্রয়োজন।

রুবিও বলেন, ‘সত্য হলো, কিউবা এরই মধ্যে পতনের মুখে। দেশটির কার্যকর কোনো অর্থনীতি নেই। আর যারা দেশ পরিচালনা করছেন, তারা এখনো এমন এক বিপ্লবের কথা বলে চলেছেন, যার মৃত্যু ঘটেছে ২০ বছর আগেই।’

কিউবার বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি একটি কার্যকর অর্থনীতি বা সরকার—কোনোটিই গড়ে তুলতে পারেনি। তার ভাষায়, ‘কিউবা সব অর্থেই একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।’

কিউবার অর্থনৈতিক সংকটের উদাহরণ হিসেবে দেশটির নাগরিকদের বিদেশে পাড়ি জমানোর বিষয়টিও তুলে ধরেন রুবিও।

তিনি দাবি করেন, ২০২১ সাল থেকে কিউবার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ দেশ ছেড়ে চলে গেছে। তার মতে, এই ব্যাপক অভিবাসন দেশটির ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থতার’ পরিণতি।

রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে কিউবা ভিন্ন একটি পথ বেছে নেবে।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, শুধু অর্থনৈতিক সংস্কার করলেই কিউবার বর্তমান পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন হবে না। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক স্বাধীনতাও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কিউবায় আগে রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সম্ভব নয়।’

রুবিওর ভাষ্য অনুযায়ী, কিউবার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে পরিবর্তন একই সময়ে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য দেশটিতে একটি পরিবর্তনকাল বা ট্রানজিশন পিরিয়ড প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন।

তার এসব বক্তব্য কিউবার বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে মার্কিন প্রশাসনের অবস্থানের একটি প্রকাশ্য সমালোচনা হিসেবে এসেছে। তবে সাক্ষাৎকারে রুবিও যে অর্থনৈতিক ও অভিবাসনসংক্রান্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন, সেগুলো তার নিজের বক্তব্য ও দাবির ভিত্তিতেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ