ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

দামেস্কের সঙ্গে সম্পর্কে বড় পরিবর্তন, সিরিয়ার সন্ত্রাসী তকমা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

দীর্ঘ প্রায় ৪৭ বছর পর সিরিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’-এর তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন। বাধ্যতামূলক ৪৫ দিনের কংগ্রেসীয় পর্যালোচনা শেষ হওয়ার পর সিদ্ধান্তটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সাবেক বিদ্রোহী সংগঠন হায়াত তাহরির আল-শামকে ‘বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ তালিকা থেকেও বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ও সংগঠনটিকে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। [BANGVIEWS-POST:4419]মার্কো রুবিও বলেন, সিরিয়ার জনগণের সামনে সমৃদ্ধির নতুন পথ তৈরিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এটি। তাঁর মতে, গত এক বছরে সিরিয়ার জনগণের স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে নজিরবিহীন বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সিরিয়ায় বেসরকারি বিনিয়োগের পথে থাকা বড় বাধাগুলোর একটি দূর করবে এবং দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পুনরায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ বাড়াবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে সিরিয়ার ওপর থাকা সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাহার হয়ে গেছে। নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডের ওপর আরোপিত ব্যবস্থা বহাল থাকতে পারে। সিরিয়াকে ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল। প্রায় পাঁচ দশকের এই তকমার কারণে দেশটির ওপর বৈদেশিক সহায়তা, প্রতিরক্ষা রপ্তানি ও বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনে কঠোর বিধিনিষেধ ছিল। সিরিয়ার নাম বাদ দেওয়ার পর মার্কিন তালিকায় এখন ইরান, উত্তর কোরিয়া ও কিউবা রয়েছে। [BANGVIEWS-POST:4418]মার্কিন বিশেষ দূত টম ব্যারাক এই সিদ্ধান্তকে সিরিয়ার ‘বিচ্ছিন্নতা থেকে অংশীদারত্বের দিকে’ যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের এই তকমা সিরিয়ার পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও ব্যবসার পথে বড় বাধা হয়ে ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, সিরিয়ার বর্তমান সরকার আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

দামেস্কের সঙ্গে সম্পর্কে বড় পরিবর্তন, সিরিয়ার সন্ত্রাসী তকমা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের