দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। দেশের বিভিন্ন জলাশয় কাজে লাগিয়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো গেলে পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের সম্প্রসারণ সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার জাতীয় সংসদ ভবন লেকে পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া।
স্পিকার বলেন, মানুষের আমিষের ঘাটতি পূরণে দেশের উন্মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংসদ ভবন লেকেও পর্যায়ক্রমে পোনামাছ ছাড়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগর মৎস্য উৎপাদন ও আহরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এসব এলাকার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ জলাশয়গুলোতেও মাছের উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদ ভবন লেকে মাছ চাষের উদ্যোগ গ্রামাঞ্চলের মানুষকেও মৎস্য চাষে উৎসাহিত করবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাছ উৎপাদনে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মাছ ও মাংসের উৎপাদন বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে মাছের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
জাতীয় সংসদ ভবন লেকে পর্যায়ক্রমে মোট ১ হাজার ২০০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার ২৫০ কেজি রুই, মৃগেল, কাতলা ও কালিবাউশের পোনা ছাড়া হয়।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্যসমূহ