দেশের বাইরে অবস্থানরত ‘পলাতক ফ্যাসিস্টরা’ বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং দেশের ভেতরে থাকা ‘গুপ্ত ও সুপ্তরা’ তাতে সহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
চলমান জ্বালানি সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার জবাবে রিজভী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও বর্তমানে জ্বালানি সংকট চলছে। তার দাবি, বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে এবং সরকার সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে।
বিরোধী দল বর্তমানে নির্বিঘ্নে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন ও সরকারের সমালোচনা করতে পারছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরে এমন পরিবেশ ছিল না। এর আগেও তিনি বিরোধী দলকে সরকারের সমালোচনা করার পাশাপাশি চলমান সংকটের বৈশ্বিক কারণ বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের সাম্প্রতিক লংমার্চের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, জ্বালানি সংকটের মধ্যে বিপুলসংখ্যক গাড়ি নিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এত জ্বালানি খরচ না হলে রাষ্ট্রের সাশ্রয় হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে লংমার্চে গাড়ির সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। মঙ্গলবারের বক্তব্যে রিজভী প্রায় ৪৫০টি গাড়ির কথা বলেছিলেন।
রিজভীর দাবি, নানা সংকটের মধ্যেও সরকার জনগণকে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করছে এবং সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।