আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সম্ভাব্য স্পিননির্ভর কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে ব্যাটিং অনুশীলনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন ক্রিকেটাররা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) অনুশীলন শেষে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল জানান, প্রতিপক্ষ ও সম্ভাব্য উইকেট বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ।
আশরাফুলের ভাষ্য, প্রধান কোচ ফিল সিমন্স সময় পেলেই ক্রিকেটারদের বিভিন্ন পরিস্থিতি সামলানোর অনুশীলন করান। পাকিস্তান সিরিজের আগেও বোলিং মেশিন ব্যবহার করে বিশেষ স্কিল ট্রেনিং করা হয়েছিল। এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য সব পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
আফগানিস্তান স্পিনসহায়ক উইকেট তৈরি করতে পারে—এমন সম্ভাবনা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ। ফলে স্পিনের বিপক্ষে ব্যাটারদের দক্ষতা বাড়ানোর দিকেও অনুশীলনে বাড়তি নজর রয়েছে।
আফগানিস্তান টেস্টের আগে মোট ছয়টি স্কিল ট্রেনিং সেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশের। প্রথম দিনের সেশনেই ব্যাটারদের দীর্ঘ সময় ক্রিজে থাকা এবং বোলারদের টানা লম্বা স্পেল করার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আশরাফুল জানান, দিনের প্রথম ভাগে প্রায় দুই ঘণ্টা এবং মধ্যাহ্নভোজের পর আরও দেড় ঘণ্টা অনুশীলন করেছেন ক্রিকেটাররা। টেস্ট ক্রিকেটের চাহিদা অনুযায়ী ব্যাটারদের দীর্ঘ ইনিংস খেলা এবং বোলারদের একটানা স্পেল করার অভ্যাস তৈরিই ছিল মূল লক্ষ্য।
দেশ ছাড়ার আগ পর্যন্ত একই ধরনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দলের।
আগামী ৯ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের একমাত্র টেস্ট। নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দলে মূল স্পিনার হিসেবে রয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। অফস্পিনার নাঈম হাসানকে রাখা হয়েছে ট্রাভেলিং রিজার্ভে।
বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান এর আগে দুটি টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে। ২০১৯ সালে চট্টগ্রামে আফগানিস্তান ২২৪ রানে জিতেছিল। ২০২৩ সালে মিরপুরে বাংলাদেশ ৫৪৬ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায়।