ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন: জাতিসংঘ

মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন: জাতিসংঘ
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের সন্দেহে নৌযান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে এবং এসব হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের এক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক বেন সল দাবি করেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জলসীমায় ৬৮টি নৌযানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব অভিযানে অন্তত ২২৩ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এসব অভিযানকে ‘নার্কো-সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সশস্ত্র সংঘাতের অংশ হিসেবেই এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তবে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকের প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এসব সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি এবং জীবনের অধিকারের লঙ্ঘন। একই সঙ্গে পরিস্থিতির ভিত্তিতে এগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সংজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

প্রতিবেদন প্রকাশের মাত্র দুই দিন আগে ক্যারিবীয় সাগরে একটি নৌযানে হামলা চালিয়ে চারজনকে হত্যার কথা জানিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের এসব অভিযানের সমালোচনা করে এগুলোকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি হামলার ভিডিও প্রকাশ করলেও নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা তাদের বিরুদ্ধে মাদক পাচারের কী ধরনের প্রমাণ ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বেন সলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদক পাচারকে আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে এমন ‘সশস্ত্র হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না, যার জবাবে কোনো রাষ্ট্র আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে কোনো রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার যুক্তি প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যেসব গোষ্ঠীকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তাদের মধ্যে ভেনেজুয়েলাভিত্তিক ট্রেন দে আরাগুয়া ভেনেজুয়েলা সরকারের সশস্ত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে—এমন কোনো বাস্তব ভিত্তি পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী হামলার পরিবর্তে সন্দেহভাজন নৌযানগুলোকে সমুদ্রে আটক করার মতো বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব ছিল। এমন ব্যবস্থা বাস্তবসম্মত হতে পারে বলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্বীকার করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তির অধীনে প্রাণঘাতী শক্তি কেবল আসন্ন ও গুরুতর হুমকি মোকাবিলায় শেষ বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এসব অভিযানের ক্ষেত্রে সেই শর্ত পূরণ হয়নি।

এ কারণে এসব হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সংজ্ঞার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে বলে প্রতিবেদনে মত দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, একটি সংগঠিত রাষ্ট্রীয় নীতির আওতায় নিয়মিত ও ব্যাপকভাবে এসব হামলা পরিচালিত হয়েছে এবং এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছেন।

একই সঙ্গে এসব হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বসহ দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থারও সুপারিশ করা হয়েছে।

শুধু হামলাগুলোর বৈধতা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের মাদকবিরোধী সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে জাতিসংঘের প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে কোকেন জব্দের পরিমাণ প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। অধিকাংশ কোকেন বড় কনটেইনার জাহাজে পরিবহন করা হয়, যেগুলো খুব কমই তল্লাশির মুখে পড়ে। বিপরীতে ছোট নৌযানগুলোই এসব হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অতিমাত্রায় মাদকসেবনে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ ফেন্টানিল ও অন্যান্য ওপিওয়েডের বিস্তার ঠেকাতেও এসব হামলার কার্যকর ভূমিকা নেই বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কারণ এসব মাদক সাধারণত ভেনেজুয়েলা থেকে সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হয় না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মাদক চক্রের নিম্নস্তরের সন্দেহভাজনদের হত্যা করলে তাদের মূল নেতৃত্বকে শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনার প্রচেষ্টা বরং দুর্বল হতে পারে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনের হিসাবে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এসব সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, এই অর্থ প্রমাণভিত্তিক আইন প্রয়োগ, জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যয় করা যেত।

ট্যাগ : জাতিসংঘ মাদক আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন: জাতিসংঘ

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের সন্দেহে নৌযান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে এবং এসব হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের এক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক বেন সল দাবি করেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জলসীমায় ৬৮টি নৌযানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব অভিযানে অন্তত ২২৩ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এসব অভিযানকে ‘নার্কো-সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সশস্ত্র সংঘাতের অংশ হিসেবেই এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তবে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকের প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এসব সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি এবং জীবনের অধিকারের লঙ্ঘন। একই সঙ্গে পরিস্থিতির ভিত্তিতে এগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সংজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

প্রতিবেদন প্রকাশের মাত্র দুই দিন আগে ক্যারিবীয় সাগরে একটি নৌযানে হামলা চালিয়ে চারজনকে হত্যার কথা জানিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের এসব অভিযানের সমালোচনা করে এগুলোকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি হামলার ভিডিও প্রকাশ করলেও নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা তাদের বিরুদ্ধে মাদক পাচারের কী ধরনের প্রমাণ ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বেন সলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদক পাচারকে আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে এমন ‘সশস্ত্র হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না, যার জবাবে কোনো রাষ্ট্র আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে কোনো রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার যুক্তি প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যেসব গোষ্ঠীকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তাদের মধ্যে ভেনেজুয়েলাভিত্তিক ট্রেন দে আরাগুয়া ভেনেজুয়েলা সরকারের সশস্ত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে—এমন কোনো বাস্তব ভিত্তি পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী হামলার পরিবর্তে সন্দেহভাজন নৌযানগুলোকে সমুদ্রে আটক করার মতো বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব ছিল। এমন ব্যবস্থা বাস্তবসম্মত হতে পারে বলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্বীকার করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তির অধীনে প্রাণঘাতী শক্তি কেবল আসন্ন ও গুরুতর হুমকি মোকাবিলায় শেষ বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এসব অভিযানের ক্ষেত্রে সেই শর্ত পূরণ হয়নি।

এ কারণে এসব হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সংজ্ঞার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে বলে প্রতিবেদনে মত দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, একটি সংগঠিত রাষ্ট্রীয় নীতির আওতায় নিয়মিত ও ব্যাপকভাবে এসব হামলা পরিচালিত হয়েছে এবং এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছেন।

একই সঙ্গে এসব হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বসহ দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থারও সুপারিশ করা হয়েছে।

শুধু হামলাগুলোর বৈধতা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের মাদকবিরোধী সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে জাতিসংঘের প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে কোকেন জব্দের পরিমাণ প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। অধিকাংশ কোকেন বড় কনটেইনার জাহাজে পরিবহন করা হয়, যেগুলো খুব কমই তল্লাশির মুখে পড়ে। বিপরীতে ছোট নৌযানগুলোই এসব হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অতিমাত্রায় মাদকসেবনে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ ফেন্টানিল ও অন্যান্য ওপিওয়েডের বিস্তার ঠেকাতেও এসব হামলার কার্যকর ভূমিকা নেই বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কারণ এসব মাদক সাধারণত ভেনেজুয়েলা থেকে সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হয় না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মাদক চক্রের নিম্নস্তরের সন্দেহভাজনদের হত্যা করলে তাদের মূল নেতৃত্বকে শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনার প্রচেষ্টা বরং দুর্বল হতে পারে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনের হিসাবে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এসব সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, এই অর্থ প্রমাণভিত্তিক আইন প্রয়োগ, জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যয় করা যেত।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ