দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে। এবার প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে বাজুস নির্ধারিত নতুন দামেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি অর্থাৎ ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
এর আগে সর্বশেষ গত ১২ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এবার আরও ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ানো হলো।
স্বর্ণের পাশাপাশি অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম জানিয়েছে বাজুস। এ ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দেওয়ার পর ১২ শতাংশ বাদ দিতে হবে। আর পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।
বাজুস জানিয়েছে, এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।