ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

জ্বালানি সংকটে স্বস্তির খবর, তিতাসে মিলতে পারে নতুন গ্যাস

জ্বালানি সংকটে স্বস্তির খবর, তিতাসে মিলতে পারে নতুন গ্যাস
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

দেশের জ্বালানি সংকটের মধ্যে নতুন আশার খবর দিয়েছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকে সর্বোচ্চ প্রতিদিন প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

এর মধ্যে তিতাস-২৯ কূপের প্রাথমিক খনন শেষ হয়েছে। বর্তমানে লগিং ও অন্যান্য কারিগরি কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করছে বিজিএফসিএল। 

অন্যদিকে তিতাস-৩১ দেশের গভীর অনুসন্ধান কূপগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। গত ১৯ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় কূপটির খনন শুরু হয়। এর লক্ষ্য গভীরতা ৫ হাজার ৬০০ মিটার এবং ইতোমধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটার পর্যন্ত খনন সম্পন্ন হয়েছে। 

কারিগরি বা ভূতাত্ত্বিক বড় কোনো জটিলতা দেখা না দিলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তিতাস-৩১ কূপের কাজ শেষ হতে পারে। কূপটি সফল হলে এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

প্রাথমিক জরিপে তিতাস-৩১ কূপের মাধ্যমে নতুন করে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বা ২ টিসিএফ গ্যাস মজুত পাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। তবে খনন শেষে বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত এই মজুতের পরিমাণ নিশ্চিত করা যাবে না। বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে আনুমানিক দেড় টিসিএফ গ্যাস মজুত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 

তিতাস-৩০ কূপের কাজও দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিজিএফসিএলের হিসাবে, ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর তিন কূপ থেকে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। 

দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো গেলে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির ওপর চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায়ও নতুন এসব কূপ ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: বাসস

ট্যাগ : তিতাস গ্যাসক্ষেত্র বিজিএফসিএল

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


জ্বালানি সংকটে স্বস্তির খবর, তিতাসে মিলতে পারে নতুন গ্যাস

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশের জ্বালানি সংকটের মধ্যে নতুন আশার খবর দিয়েছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকে সর্বোচ্চ প্রতিদিন প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

এর মধ্যে তিতাস-২৯ কূপের প্রাথমিক খনন শেষ হয়েছে। বর্তমানে লগিং ও অন্যান্য কারিগরি কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করছে বিজিএফসিএল। 

অন্যদিকে তিতাস-৩১ দেশের গভীর অনুসন্ধান কূপগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। গত ১৯ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় কূপটির খনন শুরু হয়। এর লক্ষ্য গভীরতা ৫ হাজার ৬০০ মিটার এবং ইতোমধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটার পর্যন্ত খনন সম্পন্ন হয়েছে। 

কারিগরি বা ভূতাত্ত্বিক বড় কোনো জটিলতা দেখা না দিলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তিতাস-৩১ কূপের কাজ শেষ হতে পারে। কূপটি সফল হলে এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

প্রাথমিক জরিপে তিতাস-৩১ কূপের মাধ্যমে নতুন করে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বা ২ টিসিএফ গ্যাস মজুত পাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। তবে খনন শেষে বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত এই মজুতের পরিমাণ নিশ্চিত করা যাবে না। বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে আনুমানিক দেড় টিসিএফ গ্যাস মজুত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 

তিতাস-৩০ কূপের কাজও দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিজিএফসিএলের হিসাবে, ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর তিন কূপ থেকে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। 

দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো গেলে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির ওপর চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায়ও নতুন এসব কূপ ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: বাসস


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ