সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও তিনি এখনো খাতা-কলমে জামায়াতে ইসলামীর সদস্য হিসেবেই আছেন। তবে জামায়াত নেতারা বলছেন, বহিষ্কারের পর তিনি আর দলের সদস্য নন।
গণমাধ্যমকে গাজী নজরুল বলেন, তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ঠিকই, তবে তার সদস্যপদ এখনো রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। জামায়াত কী বলছে, তা তার জানা নেই বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। দলটির ভাষ্য, বহিষ্কারের পর তিনি আর জামায়াতের কেউ নন।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, সংসদে তিনি এখন কোন পরিচয়ে রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসুদ এর আগে জানিয়েছিলেন, শুধু দল থেকে বহিষ্কার হওয়ার কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হয় না। বিষয়টি স্পিকার বা সংসদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হলে আইন অনুযায়ী তা পর্যালোচনা করা হবে। সে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত গাজী নজরুল সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
গাজী নজরুল ইসলাম ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হন। পরে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জামায়াত সাংগঠনিক তদন্ত করে। দলটি জানায়, ওই তদন্তে ‘নৈতিক স্খলনের’ প্রমাণ পাওয়ার পর তাকে গঠনতন্ত্রের ৬২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বহিষ্কার করা হয়।