ঢাকা    শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

সৌদি আরবকে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মূল্য কত

সৌদি আরবকে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মূল্য কত
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

সৌদি আরবের কাছে লকহিড মার্টিনের তৈরি এফ-৩৫ লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তথা স্টেট ডিপার্টমেন্ট। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব আরও গভীরভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সময় এই অনুমোদনের খবর এল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এই বিক্রি হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেবে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তির ভারসাম্যও বদলে যেতে পারে। পাশাপাশি, মার্কিন মিত্র ইসরায়েলের ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’ বা সামরিক সক্ষমতায় গুণগত শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার বিষয়ে ওয়াশিংটনের নীতিও পরীক্ষার মুখে পড়বে।

২০২৫ সালের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সরাসরি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান চেয়েছিল সৌদি আরব। বহুদিন ধরেই লকহিড মার্টিনের এই যুদ্ধবিমানের প্রতি আগ্রহ রয়েছে দেশটির। প্রস্তাবিত এই বিক্রির আনুমানিক মূল্য ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। তবে চূড়ান্তভাবে বিক্রির জন্য মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। চুক্তিতে ৪৮টি যুদ্ধবিমান এবং প্র্যাট অ্যান্ড হুইনির ৪৯টি ইঞ্জিন থাকবে। এর পাশাপাশি যোগাযোগ সরঞ্জাম, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং অন্যান্য সহায়তা সামগ্রীও থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে ইসরায়েল তার ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’ বা সামরিক সক্ষমতায় গুণগত শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পারে। কার্যত এর অর্থ হলো, আঞ্চলিক আরব দেশগুলোর তুলনায় ইসরায়েল যেন আরও উন্নত মার্কিন অস্ত্র পায়।

ওয়াশিংটনে সৌদি দূতাবাস প্রস্তাবিত এই বিক্রিকে স্বাগত জানিয়েছে। দূতাবাস এটিকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরও একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সৌদি দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘প্রস্তাবিত এফ-৩৫ বিক্রি সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত অংশীদারত্বের শক্তি ও দীর্ঘস্থায়ী প্রকৃতি এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন।’

শত্রুর নজর এড়িয়ে চলতে সক্ষম স্টেলথ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এফ-৩৫কে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইসরায়েল প্রায় এক দশক ধরে এই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে। দেশটি এর একাধিক স্কোয়াড্রনও গড়ে তুলেছে। এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে এই ব্যবস্থা বা যুদ্ধবিমান ব্যবস্থার মালিক একমাত্র দেশ ইসরায়েল।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় ক্রেতা সৌদি আরব বহু বছর ধরে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাওয়ার চেষ্টা করছে। দেশটি নিজেদের বিমানবাহিনী আধুনিকায়ন এবং আঞ্চলিক হুমকি, বিশেষ করে ইরানের মোকাবিলার জন্য এই যুদ্ধবিমান চায়। দুই স্কোয়াড্রন গঠনের সমপরিমাণ এফ-৩৫ পাওয়ার জন্য সৌদি আরবের নতুন করে চালানো এই প্রচেষ্টা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন রিয়াদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে আগ্রহের সংকেত দিয়েছে।

সৌদি বিমানবাহিনীতে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর মধ্যে বোয়িংয়ের এফ-১৫, ইউরোপীয় টর্নেডো এবং টাইফুন যুদ্ধবিমানও রয়েছে। এফ-৩৫ নিয়ে বিষয়টি আরও বিস্তৃত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন এর আগে সৌদি আরবকে এফ-৩৫ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করেছিল। এর অংশ হিসেবে একটি ব্যাপক চুক্তির পরিকল্পনা ছিল, যেখানে সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা থেমে যায়।

ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছেন। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে প্রায় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তিতে সম্মত হয়। হোয়াইট হাউস তখন এটিকে ওয়াশিংটনের করা ‘সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল।

তবে এফ-৩৫ বিক্রির ক্ষেত্রে মার্কিন কংগ্রেসের পর্যালোচনা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। ২০১৮ সালে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার পর আইনপ্রণেতারা রিয়াদের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কংগ্রেসের কিছু সদস্য এখনও সৌদি আরবের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন–২০৩০ কর্মসূচির অধীনে দেশটি উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক ও সামরিক আধুনিকায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সৌদি আরব নিজেদের প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কয়েক দশকের পুরোনো নিরাপত্তা সম্পর্কও বজায় রাখছে।

ট্যাগ : যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্য ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিমান

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সৌদি আরবকে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মূল্য কত

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবের কাছে লকহিড মার্টিনের তৈরি এফ-৩৫ লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তথা স্টেট ডিপার্টমেন্ট। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব আরও গভীরভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সময় এই অনুমোদনের খবর এল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এই বিক্রি হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেবে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তির ভারসাম্যও বদলে যেতে পারে। পাশাপাশি, মার্কিন মিত্র ইসরায়েলের ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’ বা সামরিক সক্ষমতায় গুণগত শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার বিষয়ে ওয়াশিংটনের নীতিও পরীক্ষার মুখে পড়বে।

২০২৫ সালের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সরাসরি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান চেয়েছিল সৌদি আরব। বহুদিন ধরেই লকহিড মার্টিনের এই যুদ্ধবিমানের প্রতি আগ্রহ রয়েছে দেশটির। প্রস্তাবিত এই বিক্রির আনুমানিক মূল্য ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। তবে চূড়ান্তভাবে বিক্রির জন্য মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। চুক্তিতে ৪৮টি যুদ্ধবিমান এবং প্র্যাট অ্যান্ড হুইনির ৪৯টি ইঞ্জিন থাকবে। এর পাশাপাশি যোগাযোগ সরঞ্জাম, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং অন্যান্য সহায়তা সামগ্রীও থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে ইসরায়েল তার ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’ বা সামরিক সক্ষমতায় গুণগত শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পারে। কার্যত এর অর্থ হলো, আঞ্চলিক আরব দেশগুলোর তুলনায় ইসরায়েল যেন আরও উন্নত মার্কিন অস্ত্র পায়।

ওয়াশিংটনে সৌদি দূতাবাস প্রস্তাবিত এই বিক্রিকে স্বাগত জানিয়েছে। দূতাবাস এটিকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরও একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সৌদি দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘প্রস্তাবিত এফ-৩৫ বিক্রি সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত অংশীদারত্বের শক্তি ও দীর্ঘস্থায়ী প্রকৃতি এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন।’

শত্রুর নজর এড়িয়ে চলতে সক্ষম স্টেলথ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এফ-৩৫কে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইসরায়েল প্রায় এক দশক ধরে এই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে। দেশটি এর একাধিক স্কোয়াড্রনও গড়ে তুলেছে। এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে এই ব্যবস্থা বা যুদ্ধবিমান ব্যবস্থার মালিক একমাত্র দেশ ইসরায়েল।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় ক্রেতা সৌদি আরব বহু বছর ধরে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাওয়ার চেষ্টা করছে। দেশটি নিজেদের বিমানবাহিনী আধুনিকায়ন এবং আঞ্চলিক হুমকি, বিশেষ করে ইরানের মোকাবিলার জন্য এই যুদ্ধবিমান চায়। দুই স্কোয়াড্রন গঠনের সমপরিমাণ এফ-৩৫ পাওয়ার জন্য সৌদি আরবের নতুন করে চালানো এই প্রচেষ্টা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন রিয়াদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে আগ্রহের সংকেত দিয়েছে।

সৌদি বিমানবাহিনীতে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর মধ্যে বোয়িংয়ের এফ-১৫, ইউরোপীয় টর্নেডো এবং টাইফুন যুদ্ধবিমানও রয়েছে। এফ-৩৫ নিয়ে বিষয়টি আরও বিস্তৃত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন এর আগে সৌদি আরবকে এফ-৩৫ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করেছিল। এর অংশ হিসেবে একটি ব্যাপক চুক্তির পরিকল্পনা ছিল, যেখানে সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা থেমে যায়।

ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছেন। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে প্রায় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তিতে সম্মত হয়। হোয়াইট হাউস তখন এটিকে ওয়াশিংটনের করা ‘সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল।

তবে এফ-৩৫ বিক্রির ক্ষেত্রে মার্কিন কংগ্রেসের পর্যালোচনা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। ২০১৮ সালে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার পর আইনপ্রণেতারা রিয়াদের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কংগ্রেসের কিছু সদস্য এখনও সৌদি আরবের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন–২০৩০ কর্মসূচির অধীনে দেশটি উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক ও সামরিক আধুনিকায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সৌদি আরব নিজেদের প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কয়েক দশকের পুরোনো নিরাপত্তা সম্পর্কও বজায় রাখছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ