ঢাকা    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ঈশ্বরদীতে শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিপুল অর্থ পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ২৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এ নতুন দিন ধার্য করেন।দুদকের প্রসিকিউটর (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালামের পক্ষে আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রোববার মামলাটির অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির পূর্বনির্ধারিত তারিখ ছিল। তবে আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ডেঙ্গু ও কিডনিজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ কারণে আসামিপক্ষ থেকে সময় চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ২৩ নভেম্বর শুনানির পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন।এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন আসাদুজ্জামান খান কামালের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি এবং মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খান। শুনানিকালে এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।আদালতের নথি অনুযায়ী, মামলাটি প্রথমে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ বিচারাধীন ছিল; পরবর্তীতে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটি বিশেষ জজ আদালত-৫-এ স্থানান্তর করেন। ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে দুদক।অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসাদুজ্জামান খান কামাল একজন সরকারি কর্মচারী (পাবলিক সার্ভেন্ট) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ মোট ২২ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ১৬২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তাঁর নামে পরিচালিত ৯টি পৃথক ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৩ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন করে দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত অর্থের অবৈধ উৎস গোপন, আড়াল এবং রূপান্তর বা স্থানান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ঈশ্বরদীতে শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা