ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর নতুন প্রকল্প

নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর নতুন প্রকল্প
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

সরকার ডিজেলের পরিবর্তে বিদ্যুতের সাহায্যে রেলের ইঞ্জিন চালানোর লক্ষ্যে ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা খরচের একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এতে নারায়ণগঞ্জ থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ৫২ কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হবে এবং ১৬ সেট বৈদ্যুতিক ট্রেন কেনা হবে, যার প্রতিটি সেটে ৫টি কোচ থাকবে।

এই প্রকল্পের অর্থায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) থেকে ঋণ সংগ্রহ করা হবে এবং সরকারি তহবিল থেকে ৯৪২ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটি ২০৩১ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

রেলপথ বৈদ্যুতিক করলে ডিজেল ট্রেনের তুলনায় জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ যথাক্রমে প্রায় ৪০% এবং ৩৫-৪০% কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক ট্রেনের গতি বৃদ্ধি পেয়ে যাত্রী পরিবহণের সময়ও কমবে এবং পরিবেশবান্ধব প্রভাব পড়বে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি জানান, রেল ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনায় আনা হচ্ছে এবং আরও প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে রেলের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত ও চীনের তুলনায় বাংলাদেশ বৈদ্যুতিক রেলে অনেক পিছিয়ে আছে, তাই এই রূপান্তর প্রয়োজন। তবে বৈদ্যুতিক রেল চালুর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও দক্ষ জনবল প্রয়োজন, যা প্রকল্প সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগ : পরিবেশ নির্মাণ রেলওয়ে বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিবহন

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর নতুন প্রকল্প

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সরকার ডিজেলের পরিবর্তে বিদ্যুতের সাহায্যে রেলের ইঞ্জিন চালানোর লক্ষ্যে ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা খরচের একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এতে নারায়ণগঞ্জ থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ৫২ কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হবে এবং ১৬ সেট বৈদ্যুতিক ট্রেন কেনা হবে, যার প্রতিটি সেটে ৫টি কোচ থাকবে।

এই প্রকল্পের অর্থায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) থেকে ঋণ সংগ্রহ করা হবে এবং সরকারি তহবিল থেকে ৯৪২ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটি ২০৩১ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

রেলপথ বৈদ্যুতিক করলে ডিজেল ট্রেনের তুলনায় জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ যথাক্রমে প্রায় ৪০% এবং ৩৫-৪০% কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক ট্রেনের গতি বৃদ্ধি পেয়ে যাত্রী পরিবহণের সময়ও কমবে এবং পরিবেশবান্ধব প্রভাব পড়বে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি জানান, রেল ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনায় আনা হচ্ছে এবং আরও প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে রেলের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত ও চীনের তুলনায় বাংলাদেশ বৈদ্যুতিক রেলে অনেক পিছিয়ে আছে, তাই এই রূপান্তর প্রয়োজন। তবে বৈদ্যুতিক রেল চালুর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও দক্ষ জনবল প্রয়োজন, যা প্রকল্প সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ