ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ফোল্ডেবল ফোনের দুনিয়ায় অ্যাপলের নতুন চমক ‘আইফোন ডুও’

ফোল্ডেবল ফোনের দুনিয়ায় অ্যাপলের নতুন চমক ‘আইফোন ডুও’
ছবি: অ্যাাপল
ফলো করুন

প্রযুক্তিপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের বাজারে প্রবেশ করেছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটি উন্মোচন করেছে তাদের প্রথম ভাঁজযোগ্য আইফোন, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘আইফোন ডুও’। নতুন এই ডিভাইসটির প্রারম্ভিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার।

ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোর অ্যাপল সদর দপ্তরের স্টিভ জবস থিয়েটার থেকে সম্প্রচারিত বিশেষ অনুষ্ঠানে নতুন ফোনটির ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী জন টার্নাস ফোল্ডেবল ফোনের নকশা ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

অ্যাপলের ভাষ্য অনুযায়ী, আইফোন ডুও এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ভাঁজ খোলার পর বড় পর্দার অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় এবং এটি ব্যবহারে আইপ্যাডের মতো স্বাভাবিক অনুভূতি তৈরি হয়। পাসপোর্টের মতো আকৃতির ফোনটির দুই পাশ গোলাকার এবং ভাঁজ খুললে এটি প্রশস্ত ডিসপ্লেতে পরিণত হয়।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় আইফোন ডুও এখন পর্যন্ত তাদের সবচেয়ে পাতলা আইফোন। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ডিভাইসটির প্রি-অর্ডার শুরু হবে।

ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে অ্যাপল দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাং ও হুয়াওয়ের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামতে যাচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোনের বিক্রি ১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ খাত থেকে প্রতিষ্ঠানটির আয় ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

আইডিসির বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপল ফোল্ডেবল ফোনের বৈশ্বিক বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ দখলে নিতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির প্রবেশ পুরো ফোল্ডেবল স্মার্টফোন বাজারের প্রবৃদ্ধিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

অ্যাপলের অনুষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ব্যবহারকারীর তথ্যের নিরাপত্তাকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জন টার্নাস জানান, অ্যাপল যতটা সম্ভব এআই-ভিত্তিক কাজ সরাসরি ডিভাইসেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে, যাতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

নতুন সিরির বিভিন্ন সক্ষমতাও তুলে ধরা হয় অনুষ্ঠানে। অ্যাপলের এআই বিভাগের কর্মকর্তা লিলিয়ান রিনকন জানান, বাজারে আসার সময় নতুন সিরি প্রায় ৩ লাখ অ্যাপের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা রাখবে।

আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স উন্মোচন

ফোল্ডেবল আইফোনের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে আইফোন ১৮ সিরিজের প্রো এবং প্রো ম্যাক্স মডেলও উন্মোচন করা হয়েছে। নতুন সিরিজের ফোনগুলোতে অ্যাপলের নতুন ‘এ২০ প্রো’ চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, নতুন চিপের ফলে ডিভাইসে উন্নত এআই মডেল চালানোর সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আইফোন ১৮ প্রোর দাম শুরু হয়েছে ১ হাজার ১৯৯ ডলার থেকে। অন্যদিকে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের প্রাথমিক মূল্য ১ হাজার ২৯৯ ডলার। আগের প্রজন্মের তুলনায় উভয় মডেলের প্রারম্ভিক দাম ১০০ ডলার করে বেড়েছে।

এআই দিয়ে তৈরি বা পরিবর্তিত ছবি শনাক্তের জন্য নতুন প্রযুক্তিও এনেছে অ্যাপল। ‘অ্যাপল রেফারেন্স ইমেজ’ নামে একটি মানদণ্ডের মাধ্যমে আইফোন ১৮ প্রো দিয়ে তোলা ছবির সত্যতা যাচাইয়ের সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও চীনে এই সুবিধা পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া এআই-নির্মিত বা সম্পাদিত ছবি শনাক্তে ‘সিন্থআইডি’ প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে।

নতুন এয়ারপডে নয়েজ ক্যানসেলেশন

অনুষ্ঠানে নতুন এয়ারপডও উন্মোচন করেছে অ্যাপল। নতুন মডেলটির প্রাথমিক দাম ১২৯ ডলার। তুলনামূলক কম দামের এই সংস্করণেই প্রথমবারের মতো নয়েজ ক্যানসেলেশন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৪৯ ডলারের আরেকটি সংস্করণে ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি এয়ারপডের স্টেমে আঙুল ওপর-নিচ করে সরাসরি ভলিউম নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

নতুন অ্যাপল ওয়াচ

অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১২ এবং অ্যাপল ওয়াচ আলট্রা ৪-ও উন্মোচন করা হয়েছে। নতুন ঘড়িগুলোতে স্বাস্থ্য ও ফিটনেস পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন সেন্সর আগের তুলনায় আরও ঘন ঘন হৃদস্পন্দন পরিমাপ করতে পারবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর শরীরের পুনরুদ্ধার, ফিটনেস এবং সামগ্রিক শারীরিক অবস্থার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

অ্যাপলের দাবি, নতুন চিপ ও উন্নত সেন্সর প্রযুক্তির সমন্বয়ে এসব ঘড়িতে পরিধানযোগ্য ডিভাইসের মধ্যে অত্যন্ত নির্ভুল হৃদস্পন্দন পরিমাপের সুবিধা পাওয়া যাবে।

অ্যাপলের ব্যবসায় আইফোনের গুরুত্ব এখনও সবচেয়ে বেশি। সর্বশেষ অর্থবছরে আইফোন বিক্রি থেকে প্রতিষ্ঠানটির আয় হয়েছে ২০৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, যা মোট বিক্রির অর্ধেকেরও বেশি।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিপুলসংখ্যক আইফোন ব্যবহারকারী অ্যাপলের অন্যতম বড় শক্তি। এই বিশাল ব্যবহারকারীভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আইফোন, অ্যাপল ওয়াচসহ বিভিন্ন ডিভাইসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরও বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছে।

তবে নতুন পণ্য উন্মোচনের সময় অ্যাপলের শেয়ারে সামান্য নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়। অনুষ্ঠান চলাকালে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমে যায়।

ট্যাগ : অ্যাপল আইফোন

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ফোল্ডেবল ফোনের দুনিয়ায় অ্যাপলের নতুন চমক ‘আইফোন ডুও’

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

প্রযুক্তিপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের বাজারে প্রবেশ করেছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটি উন্মোচন করেছে তাদের প্রথম ভাঁজযোগ্য আইফোন, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘আইফোন ডুও’। নতুন এই ডিভাইসটির প্রারম্ভিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার।

ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোর অ্যাপল সদর দপ্তরের স্টিভ জবস থিয়েটার থেকে সম্প্রচারিত বিশেষ অনুষ্ঠানে নতুন ফোনটির ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী জন টার্নাস ফোল্ডেবল ফোনের নকশা ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

অ্যাপলের ভাষ্য অনুযায়ী, আইফোন ডুও এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ভাঁজ খোলার পর বড় পর্দার অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় এবং এটি ব্যবহারে আইপ্যাডের মতো স্বাভাবিক অনুভূতি তৈরি হয়। পাসপোর্টের মতো আকৃতির ফোনটির দুই পাশ গোলাকার এবং ভাঁজ খুললে এটি প্রশস্ত ডিসপ্লেতে পরিণত হয়।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় আইফোন ডুও এখন পর্যন্ত তাদের সবচেয়ে পাতলা আইফোন। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ডিভাইসটির প্রি-অর্ডার শুরু হবে।

ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে অ্যাপল দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাং ও হুয়াওয়ের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামতে যাচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোনের বিক্রি ১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ খাত থেকে প্রতিষ্ঠানটির আয় ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

আইডিসির বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপল ফোল্ডেবল ফোনের বৈশ্বিক বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ দখলে নিতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির প্রবেশ পুরো ফোল্ডেবল স্মার্টফোন বাজারের প্রবৃদ্ধিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

অ্যাপলের অনুষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ব্যবহারকারীর তথ্যের নিরাপত্তাকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জন টার্নাস জানান, অ্যাপল যতটা সম্ভব এআই-ভিত্তিক কাজ সরাসরি ডিভাইসেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে, যাতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

নতুন সিরির বিভিন্ন সক্ষমতাও তুলে ধরা হয় অনুষ্ঠানে। অ্যাপলের এআই বিভাগের কর্মকর্তা লিলিয়ান রিনকন জানান, বাজারে আসার সময় নতুন সিরি প্রায় ৩ লাখ অ্যাপের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা রাখবে।

আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স উন্মোচন

ফোল্ডেবল আইফোনের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে আইফোন ১৮ সিরিজের প্রো এবং প্রো ম্যাক্স মডেলও উন্মোচন করা হয়েছে। নতুন সিরিজের ফোনগুলোতে অ্যাপলের নতুন ‘এ২০ প্রো’ চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, নতুন চিপের ফলে ডিভাইসে উন্নত এআই মডেল চালানোর সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আইফোন ১৮ প্রোর দাম শুরু হয়েছে ১ হাজার ১৯৯ ডলার থেকে। অন্যদিকে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের প্রাথমিক মূল্য ১ হাজার ২৯৯ ডলার। আগের প্রজন্মের তুলনায় উভয় মডেলের প্রারম্ভিক দাম ১০০ ডলার করে বেড়েছে।

এআই দিয়ে তৈরি বা পরিবর্তিত ছবি শনাক্তের জন্য নতুন প্রযুক্তিও এনেছে অ্যাপল। ‘অ্যাপল রেফারেন্স ইমেজ’ নামে একটি মানদণ্ডের মাধ্যমে আইফোন ১৮ প্রো দিয়ে তোলা ছবির সত্যতা যাচাইয়ের সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও চীনে এই সুবিধা পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া এআই-নির্মিত বা সম্পাদিত ছবি শনাক্তে ‘সিন্থআইডি’ প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে।

নতুন এয়ারপডে নয়েজ ক্যানসেলেশন

অনুষ্ঠানে নতুন এয়ারপডও উন্মোচন করেছে অ্যাপল। নতুন মডেলটির প্রাথমিক দাম ১২৯ ডলার। তুলনামূলক কম দামের এই সংস্করণেই প্রথমবারের মতো নয়েজ ক্যানসেলেশন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৪৯ ডলারের আরেকটি সংস্করণে ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি এয়ারপডের স্টেমে আঙুল ওপর-নিচ করে সরাসরি ভলিউম নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

নতুন অ্যাপল ওয়াচ

অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১২ এবং অ্যাপল ওয়াচ আলট্রা ৪-ও উন্মোচন করা হয়েছে। নতুন ঘড়িগুলোতে স্বাস্থ্য ও ফিটনেস পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন সেন্সর আগের তুলনায় আরও ঘন ঘন হৃদস্পন্দন পরিমাপ করতে পারবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর শরীরের পুনরুদ্ধার, ফিটনেস এবং সামগ্রিক শারীরিক অবস্থার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

অ্যাপলের দাবি, নতুন চিপ ও উন্নত সেন্সর প্রযুক্তির সমন্বয়ে এসব ঘড়িতে পরিধানযোগ্য ডিভাইসের মধ্যে অত্যন্ত নির্ভুল হৃদস্পন্দন পরিমাপের সুবিধা পাওয়া যাবে।

অ্যাপলের ব্যবসায় আইফোনের গুরুত্ব এখনও সবচেয়ে বেশি। সর্বশেষ অর্থবছরে আইফোন বিক্রি থেকে প্রতিষ্ঠানটির আয় হয়েছে ২০৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, যা মোট বিক্রির অর্ধেকেরও বেশি।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিপুলসংখ্যক আইফোন ব্যবহারকারী অ্যাপলের অন্যতম বড় শক্তি। এই বিশাল ব্যবহারকারীভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আইফোন, অ্যাপল ওয়াচসহ বিভিন্ন ডিভাইসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরও বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছে।

তবে নতুন পণ্য উন্মোচনের সময় অ্যাপলের শেয়ারে সামান্য নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়। অনুষ্ঠান চলাকালে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমে যায়।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ