ঢাকা    রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে আসছে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাত্রার সময়

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে আসছে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাত্রার সময়
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করা, ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণ এবং ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সদস্য এনামুল হক জানতে চান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমাতে ইলেকট্রিক বা দ্রুতগতির ট্রেন চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোর আধুনিকায়নে সরকার কয়েকটি বড় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর এর বিস্তারিত সময়সূচি ও কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। ইলেকট্রিক ট্রেন চালু হলে রেলের গতি বাড়বে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

দূরত্ব কমানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত একটি সরাসরি কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশা তৈরির কাজ চলছে।

তিনি জানান, কর্ডলাইন নির্মাণ হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচলের দূরত্ব কমবে এবং দ্রুতগতির রেল যোগাযোগ স্থাপনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের সক্ষমতা বাড়াতে পুরো রুটকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের উন্নয়নের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

এ ছাড়া টঙ্গী-আখাউড়া অংশের প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকারের এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেল পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে, যাত্রীসেবা উন্নত হবে এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই করিডোরে দ্রুত ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

ট্যাগ : চট্টগ্রাম ঢাকা বাংলাদেশ রেলওয়ে

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে আসছে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাত্রার সময়

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করা, ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণ এবং ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সদস্য এনামুল হক জানতে চান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমাতে ইলেকট্রিক বা দ্রুতগতির ট্রেন চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোর আধুনিকায়নে সরকার কয়েকটি বড় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর এর বিস্তারিত সময়সূচি ও কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। ইলেকট্রিক ট্রেন চালু হলে রেলের গতি বাড়বে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

দূরত্ব কমানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত একটি সরাসরি কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশা তৈরির কাজ চলছে।

তিনি জানান, কর্ডলাইন নির্মাণ হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচলের দূরত্ব কমবে এবং দ্রুতগতির রেল যোগাযোগ স্থাপনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের সক্ষমতা বাড়াতে পুরো রুটকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের উন্নয়নের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

এ ছাড়া টঙ্গী-আখাউড়া অংশের প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকারের এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেল পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে, যাত্রীসেবা উন্নত হবে এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই করিডোরে দ্রুত ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ