খুলনায় প্রথম ধাপে ৯টি ইউনিয়নের ২৩ হাজারের বেশি কৃষক কৃষি কার্ড পাবেন। বর্তমান সরকারের মেয়াদে পর্যায়ক্রমে জেলার ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৬০৩ জন কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
খুলনা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের সরকারি বিভিন্ন সুবিধা সহজে পৌঁছে দিতে জেলার ৯টি উপজেলার ৯টি ইউনিয়নকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। এসব ইউনিয়নকে কয়েকটি ব্লকে ভাগ করে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত ইউনিয়নগুলো হলো, রূপসা উপজেলার নৈহাটি, বটিয়াঘাটার আমিরপুর, দিঘলিয়ার গাজিরহাট, ফুলতলার সদর, ডুমুরিয়ার ভান্ডারপাড়া, তেরখাদার ছাগলাদাহ, দাকোপের সদর, পাইকগাছার হরিঢালি এবং কয়রা উপজেলা সদর।
কৃষি দপ্তর জানিয়েছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত সাত সদস্যের কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে এসব এলাকার ২৩ হাজার ১৫০ জন কৃষককে কৃষি কার্ডের জন্য যোগ্য হিসেবে শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে ১৮ হাজার ৪৭৯ জন কৃষকের তথ্য চূড়ান্ত করে ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।
কৃষকরা জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এই কার্ড পাবেন। কার্ডটি ডেবিট কার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক কৃষক প্রতি বছর ২ হাজার ৫০০ টাকা সরকারি অনুদান পাবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সেচ সুবিধা, প্রশিক্ষণ, কৃষি যন্ত্রপাতি, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে পরামর্শ, কৃষিপণ্য বিক্রির সহায়তা, কৃষি বিমা প্রশিক্ষণ, ভর্তুকি, প্রণোদনা, ঋণ এবং প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণের সুবিধা পাবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. তৌহিদীন ভুঁইয়া জানান, ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এই কার্ড ব্যবহার করে প্রতিবছর সরকারি অনুদানের অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন কৃষকরা।