ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬,৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬,৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
ফলো করুন

চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ সুবিধার আওতায় আসবেন এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত, বৌদ্ধবিহারের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও গির্জার যাজকসহ মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩০১টি গির্জা। চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ হিসেবে ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে গঠিত সেলের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক প্রত্যেকে মাসে ৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। এছাড়া মুয়াজ্জিন, সেবাইত, বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা করে। মসজিদের খাদেমদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী।

সম্মানীর অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠানো হবে।

যেভাবে নির্বাচন হবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে দুটি করে মসজিদ এ সুবিধার আওতায় আসবে।

সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ছয়টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে।

মন্দিরের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি করে নির্বাচন করা হবে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে দুটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভা থেকে একটি করে মন্দির নির্বাচন করা হবে। বাকি মন্দির ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে।

বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলা ভিত্তিতে ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।

সম্মানীর জন্য বাজেটে ১১০০ কোটি টাকা

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী দিতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার আওতায় আসবে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় সম্মানী দেওয়া হয়।

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬,৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ সুবিধার আওতায় আসবেন এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত, বৌদ্ধবিহারের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও গির্জার যাজকসহ মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩০১টি গির্জা। চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ হিসেবে ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে গঠিত সেলের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক প্রত্যেকে মাসে ৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। এছাড়া মুয়াজ্জিন, সেবাইত, বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা করে। মসজিদের খাদেমদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী।

সম্মানীর অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠানো হবে।

যেভাবে নির্বাচন হবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে দুটি করে মসজিদ এ সুবিধার আওতায় আসবে।

সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ছয়টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে।

মন্দিরের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি করে নির্বাচন করা হবে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে দুটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভা থেকে একটি করে মন্দির নির্বাচন করা হবে। বাকি মন্দির ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে।

বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলা ভিত্তিতে ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।

সম্মানীর জন্য বাজেটে ১১০০ কোটি টাকা

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী দিতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার আওতায় আসবে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় সম্মানী দেওয়া হয়।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ