ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় সমন্বিত উন্নয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় সমন্বিত উন্নয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৯ আগস্ট) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে জানতে পেরে সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক জানান, সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।

ব্রিফিংয়ে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিচালন ব্যবস্থা, জ্বালানি সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিটের সমন্বয়ে নির্মিত। আধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে পরিচালিত এই প্রকল্পের সঙ্গে কয়লা পরিবহন বন্দর, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো যুক্ত রয়েছে।

পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প ও অন্যান্য ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার স্থানও পরিদর্শন করেন।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটি, গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে হবে। বড় অবকাঠামো প্রকল্প পরিচালনায় অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ বিবেচনায় রাখতে হবে।

মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর ও শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। এসব প্রকল্প দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে মাতারবাড়ী ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্যাগ : কক্সবাজার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় সমন্বিত উন্নয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৯ আগস্ট) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে জানতে পেরে সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক জানান, সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।

ব্রিফিংয়ে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিচালন ব্যবস্থা, জ্বালানি সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিটের সমন্বয়ে নির্মিত। আধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে পরিচালিত এই প্রকল্পের সঙ্গে কয়লা পরিবহন বন্দর, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো যুক্ত রয়েছে।

পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প ও অন্যান্য ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার স্থানও পরিদর্শন করেন।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটি, গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে হবে। বড় অবকাঠামো প্রকল্প পরিচালনায় অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ বিবেচনায় রাখতে হবে।

মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর ও শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। এসব প্রকল্প দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে মাতারবাড়ী ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ