ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা, হ্যাঙ্গার-হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবি

কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা, হ্যাঙ্গার-হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবি
সংগৃহীত ছবি
ফলো করুন

কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। হামলায় দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গার, একটি বিমান জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং কয়েকটি সামরিক হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইআরজিসির প্রকাশিত একটি বিবৃতির বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চলমান ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ৫৬তম ধাপের অংশ হিসেবে আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। তবে হামলায় কী ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে এবং ঠিক কখন অভিযানটি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি আইআরজিসি।

সংস্থাটির দাবি, হামলায় বিমানঘাঁটির দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গারে আগুন ধরে যায়। একই সঙ্গে বিমান জ্বালানি সংরক্ষণের একটি ট্যাংক এবং ঘাঁটিতে থাকা কয়েকটি সামরিক হেলিকপ্টার পুড়ে ধ্বংস হয়েছে।

কুয়েতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিটি দেশটির সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীও ব্যবহার করে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় ঘাঁটিটির কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে।

আইআরজিসি এর আগেও আলি আল-সালেম ঘাঁটির বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। ইরানি বাহিনীর আগের বিবৃতিগুলোতে ঘাঁটির রাডারব্যবস্থা, জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বিমান সরঞ্জামের গুদাম এবং এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলা হয়েছিল।

নতুন বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদ ‘লুটপাট’ বন্ধ না হওয়া এবং অঞ্চলটি থেকে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তাদের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান চলবে।

কুয়েতের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় সংস্থাটি বলেছে, তাদের অভিযান কুয়েতের সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে নয়; যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত স্থাপনাগুলোই লক্ষ্যবস্তু।

তবে দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েত সরকার নিশ্চিত করেনি। হামলার কোনো ছবি, ভিডিও কিংবা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে কুয়েত কর্তৃপক্ষ দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছিল। ফলে আইআরজিসির সর্বশেষ দাবির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে কুয়েত ও যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা করতে হবে।

সূত্র: আইআরএনএ

ট্যাগ : আইআরজিসি কুয়েত আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা, হ্যাঙ্গার-হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। হামলায় দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গার, একটি বিমান জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং কয়েকটি সামরিক হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইআরজিসির প্রকাশিত একটি বিবৃতির বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চলমান ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ৫৬তম ধাপের অংশ হিসেবে আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। তবে হামলায় কী ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে এবং ঠিক কখন অভিযানটি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি আইআরজিসি।

সংস্থাটির দাবি, হামলায় বিমানঘাঁটির দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গারে আগুন ধরে যায়। একই সঙ্গে বিমান জ্বালানি সংরক্ষণের একটি ট্যাংক এবং ঘাঁটিতে থাকা কয়েকটি সামরিক হেলিকপ্টার পুড়ে ধ্বংস হয়েছে।

কুয়েতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিটি দেশটির সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীও ব্যবহার করে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় ঘাঁটিটির কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে।

আইআরজিসি এর আগেও আলি আল-সালেম ঘাঁটির বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। ইরানি বাহিনীর আগের বিবৃতিগুলোতে ঘাঁটির রাডারব্যবস্থা, জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বিমান সরঞ্জামের গুদাম এবং এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলা হয়েছিল।

নতুন বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদ ‘লুটপাট’ বন্ধ না হওয়া এবং অঞ্চলটি থেকে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তাদের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান চলবে।

কুয়েতের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় সংস্থাটি বলেছে, তাদের অভিযান কুয়েতের সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে নয়; যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত স্থাপনাগুলোই লক্ষ্যবস্তু।

তবে দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েত সরকার নিশ্চিত করেনি। হামলার কোনো ছবি, ভিডিও কিংবা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে কুয়েত কর্তৃপক্ষ দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছিল। ফলে আইআরজিসির সর্বশেষ দাবির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে কুয়েত ও যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা করতে হবে।

সূত্র: আইআরএনএ


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ