ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯০ রানে হেরে বিদেশের মাটিতে টানা অষ্টম পরাজয়ের রেকর্ড গড়েছে পাকিস্তান। এটি দেশের টেস্ট ইতিহাসে পাকিস্তানের দীর্ঘতম টানা বিদেশি পরাজয়ের ধারা।
ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমিতে জয়ের জন্য ২১১ রানের লক্ষ্য পেয়েছিল সফরকারীরা। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে মাত্র ১২০ রানে অলআউট হয়ে যায় বাবর আজমের দল। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসের প্রধান কারিগর ছিলেন ক্যারিবীয় পেসার জেইডেন সিলস। মাত্র ২০ রান খরচ করে পাঁচ উইকেট তুলে নেন তিনি। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে একপর্যায়ে ৭১ রানেই পাকিস্তানের ৯ উইকেট পড়ে যায়।
ধ্বংসস্তূপের মধ্যে একাই লড়াই করেন অধিনায়ক বাবর আজম। ১০৭ বলে ৯টি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৫৮ রান করেন তিনি। শেষ উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়ে পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমান বাবর। আব্বাস করেন ২৩ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে কেমার রোচ ও জাস্টিন গ্রিভস দুটি করে উইকেট নেন। সিলসের পাঁচ উইকেট পাকিস্তানের জয়ের আশা পুরোপুরি শেষ করে দেয়।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে পাকিস্তানের বিদেশের মাটিতে টানা হারের যাত্রা শুরু হয়। এরপর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি, বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি এবং সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি টেস্টে হেরেছে দলটি।
বাংলাদেশের কাছে ২০২৬ সালের মে মাসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল পাকিস্তান। সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে তারা ৭৮ রানে হারে।
বিদেশের মাটিতে পাকিস্তানের টানা আট হার:
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পার্থে ৩৬০ রানে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মেলবোর্নে ৭৯ রানে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিডনিতে ৮ উইকেটে
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরিয়নে ২ উইকেটে
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপটাউনে ১০ উইকেটে
বাংলাদেশের বিপক্ষে ঢাকায় ১০৪ রানে
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেটে ৭৮ রানে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ত্রিনিদাদে ৯০ রানে