ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হোয়াইট হাউসে প্রায় ৯০ মিনিট ধরে তাদের বৈঠক চলে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বৈঠকটিকে ‘ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর এটি ছিল দুই নেতার অষ্টম বৈঠক। তবে ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর এবারই তারা প্রথম সরাসরি আলোচনায় বসলেন।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দুই নেতার মধ্যে আলাদা কোনো একান্ত বৈঠক হয়নি। ইসরায়েলি প্রতিনিধিদল এবং ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও উপদেষ্টাদের উপস্থিতিতেই পুরো আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যৌথ সংবাদ সম্মেলন কিংবা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি। নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউসে পৌঁছানোর সময় প্রচলিত আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনাও দেখা যায়নি বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বৈঠকটিকে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক বলে বর্ণনা করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দুই দেশের সামরিক সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পেয়েছে।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ দাবি করেছে, বৈঠকে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলো থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো অনুরোধ করেননি ট্রাম্প। তবে হোয়াইট হাউস এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
বৈঠকের পর নেতানিয়াহু একে ‘চমৎকার’ বলে অভিহিত করেন। তবে আলোচনায় কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সূত্র: এপি