রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে একাধিক গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। পদত্যাগ ও পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানাতে বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার।
সংসদ ভবন এলাকায় বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি এবং বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর দুটি প্রটোকল গাড়ি প্রবেশ করতে দেখা গেছে। তবে গাড়ি ও নিরাপত্তা প্রস্তুতির বিষয়টি পদত্যাগের স্বতন্ত্র প্রমাণ নয়; মূল ভিত্তি হচ্ছে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার তথ্য।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর থেকেই রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য বলে বিবেচিত হয়।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সে অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।