বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। এ বিষয়ে নয়াদিল্লির আগের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রত্যর্পণের যেকোনো বিষয় আইনি বিষয় এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ীই তার নিষ্পত্তি হবে।
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানান, তিনি এবং আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরে কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন। তিনি দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার বা অন্য ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন বলেও সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে বাংলাদেশ সরকার এরই মধ্যে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত বিষয়টি পর্যালোচনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশে ভারতের অর্থায়নে নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প স্থগিত হতে পারে, এমন গণমাধ্যম প্রতিবেদনের বিষয়েও ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়।
জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশে ভারতের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দুই দেশের পারস্পরিক আলোচনা ও সম্মতির ভিত্তিতে গ্রহণ করা হয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রকল্পগুলোর কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতা হারানোর পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তাঁর সঙ্গে আওয়ামী লীগের একাধিক সাবেক মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ নেতাও দেশটির বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
মন্তব্যসমূহ