ঢাকা    শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা

চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন জরুরি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে মাহ্দী আমিন জানান, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন এবং বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার দ্রুত মানবিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

মাহ্দী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, দলীয় নেতা-কর্মীদেরও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

এ ছাড়া জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং নিয়মিত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।

মাহ্দী আমিন আরও জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের দুর্গত এলাকায় উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে প্রায় ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

ট্যাগ : চট্টগ্রাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যা

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন জরুরি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে মাহ্দী আমিন জানান, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন এবং বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার দ্রুত মানবিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

মাহ্দী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, দলীয় নেতা-কর্মীদেরও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

এ ছাড়া জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং নিয়মিত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।

মাহ্দী আমিন আরও জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের দুর্গত এলাকায় উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে প্রায় ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ