ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোক র্যালি শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিতে রাজধানী তেহরানে লাখো মানুষ সমবেত হয়েছেন।
সোমবার সকাল থেকে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্স থেকে শোক র্যালি শুরু হয়। সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনির মরদেহ সেখানে দুই দিন রাখা হয়েছিল।
ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, জানাজা ও শোক র্যালি ঘিরে তেহরানে আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় জনসমাগম হয়েছে। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন সড়কে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, শোক র্যালিটি ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। র্যালিটি দামাভান্দ স্ট্রিট, ইমাম হুসেন স্কয়ার, ইনকিলাব স্ট্রিট, আজাদি স্ট্রিট, আজাদি স্কয়ার এবং মেহরাবাদ বিমানবন্দরের কাছের শহীদ লাশগরি হাইওয়ে হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে।
এর আগে রোববার ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ তার পরিবারের কয়েক সদস্যের জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, তাজিকিস্তান ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলও শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার পবিত্র কোম শহরে আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বুধবার মরদেহ ইরাকের নজফে ইমাম আলীর মাজার এবং কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.) ও হজরত আব্বাসের মাজারে নেওয়া হবে।
খামেনির ইচ্ছানুযায়ী, আগামী ৯ জুলাই মাশহাদে ইমাম রেজার পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি
মন্তব্যসমূহ