ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই সফলভাবে ধ্বংস করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তসংলগ্ন নাজরান প্রদেশ লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল।
সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক জোটের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘হুথি মিলিশিয়াদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদির আকাশসীমায় প্রবেশের সাথে সাথেই শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে সৌদি আরবের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) আকাশেই সেগুলো সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করে।’
মেজর জেনারেল আল-মালিকি আরও জানান, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি আকাশেই ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ায় সেগুলোর ধাতব ধ্বংসাবশেষ নাজরানের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বেসামরিক নাগরিক হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা মাঠপর্যায়ে খতিয়ে দেখছে সামরিক জোট ও স্থানীয় প্রশাসন।
এর আগে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝুঁকি চিহ্নিত হওয়ার সাথে সাথেই নাজরান প্রদেশের বাসিন্দাদের সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় ঘরের ভেতরে অবস্থান করার বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছিল সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ। পরবর্তীতে ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সফলভাবে ভূপাতিত করার পর সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক বিবেচনা করে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশটির উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নিলে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারকে পুনর্বহাল ও সীমান্ত সুরক্ষায় ২০১৫ সালের মার্চ থেকে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আঞ্চলিক উত্তেজনার পারদ বৃদ্ধির সাথে সাথে ইয়েমেন সংঘাত আরও মারাত্মক রূপ নিয়েছে। রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মদিনা অঞ্চলে ড্রোন হামলার পাশাপাশি সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে চলেছে হুথি গোষ্ঠী।
সূত্র: সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের প্রেস বিবৃতি ও সৌদি প্রেস এজেন্সি (ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই সফলভাবে ধ্বংস করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তসংলগ্ন নাজরান প্রদেশ লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল।
সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ সামরিক জোটের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘হুথি মিলিশিয়াদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদির আকাশসীমায় প্রবেশের সাথে সাথেই শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে সৌদি আরবের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) আকাশেই সেগুলো সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করে।’
মেজর জেনারেল আল-মালিকি আরও জানান, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি আকাশেই ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ায় সেগুলোর ধাতব ধ্বংসাবশেষ নাজরানের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বেসামরিক নাগরিক হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা মাঠপর্যায়ে খতিয়ে দেখছে সামরিক জোট ও স্থানীয় প্রশাসন।
এর আগে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝুঁকি চিহ্নিত হওয়ার সাথে সাথেই নাজরান প্রদেশের বাসিন্দাদের সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় ঘরের ভেতরে অবস্থান করার বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছিল সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ। পরবর্তীতে ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সফলভাবে ভূপাতিত করার পর সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক বিবেচনা করে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশটির উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নিলে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারকে পুনর্বহাল ও সীমান্ত সুরক্ষায় ২০১৫ সালের মার্চ থেকে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আঞ্চলিক উত্তেজনার পারদ বৃদ্ধির সাথে সাথে ইয়েমেন সংঘাত আরও মারাত্মক রূপ নিয়েছে। রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মদিনা অঞ্চলে ড্রোন হামলার পাশাপাশি সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে চলেছে হুথি গোষ্ঠী।
সূত্র: সৌদি প্রেস এজেন্সি














মন্তব্যসমূহ