ঢাকা    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

১২ কেজি এলপিজির দাম ২২৩ টাকা বেড়ে ২০৬০ টাকা

১২ কেজি এলপিজির দাম ২২৩ টাকা বেড়ে ২০৬০ টাকা
ফাইল ছবি
ফলো করুন

দেশে আবারও বেড়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ভোক্তা পর্যায়ে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা। আগের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে এবার বেড়েছে ২২৩ টাকা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নতুন মূল্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর রাত ৮টা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিইআরসির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর কারণে দেশে নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে অক্টোবর মাসেও ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সেপ্টেম্বরে এই সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। অক্টোবরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৩৭ টাকায়।

নভেম্বরে আরও ২২৩ টাকা বাড়ানোয় দুই মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম মোট ৪৭৫ টাকা বেড়েছে।

বিইআরসির ঘোষিত মূল্যের সঙ্গে খুচরা বাজারের দামের পার্থক্য নিয়ে আগে থেকেই অভিযোগ রয়েছে।

অক্টোবরে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারিত থাকলেও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তা ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

এর আগে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে এলপিজির বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। সে সময় ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারিত মূল্যের সিলিন্ডার কোথাও কোথাও ২ হাজার ২০০ থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে বাজারে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার পর আমদানিকারকেরা সরবরাহ কমিয়ে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়েছে বিইআরসি।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বেড়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ৭ টাকা ৩৩ পয়সা।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে অটোগ্যাসের মূল্য ছিল প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৯ পয়সা। অক্টোবর মাসে তা বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়।

এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণে আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশনও সংশোধন করা হয়েছে।

১২ কেজির সিলিন্ডারে আমদানিকারকদের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ, যার মধ্যে অপারেটরের প্ল্যান্ট থেকে পরিবেশক পর্যন্ত পরিবহন খরচ অন্তর্ভুক্ত, ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮১ টাকা ৭৬ পয়সা করা হয়েছে।

ডিলারদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ ও বিপণন ব্যয় বৃদ্ধিও নতুন দামের ওপর প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছে বিইআরসি।

ট্যাগ : এলপিজি বিইআরসি জ্বালানি খাত

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


১২ কেজি এলপিজির দাম ২২৩ টাকা বেড়ে ২০৬০ টাকা

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশে আবারও বেড়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ভোক্তা পর্যায়ে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা। আগের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে এবার বেড়েছে ২২৩ টাকা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নতুন মূল্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর রাত ৮টা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিইআরসির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর কারণে দেশে নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে অক্টোবর মাসেও ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সেপ্টেম্বরে এই সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। অক্টোবরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৩৭ টাকায়।

নভেম্বরে আরও ২২৩ টাকা বাড়ানোয় দুই মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম মোট ৪৭৫ টাকা বেড়েছে।

বিইআরসির ঘোষিত মূল্যের সঙ্গে খুচরা বাজারের দামের পার্থক্য নিয়ে আগে থেকেই অভিযোগ রয়েছে।

অক্টোবরে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারিত থাকলেও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তা ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

এর আগে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে এলপিজির বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। সে সময় ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারিত মূল্যের সিলিন্ডার কোথাও কোথাও ২ হাজার ২০০ থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে বাজারে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার পর আমদানিকারকেরা সরবরাহ কমিয়ে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়েছে বিইআরসি।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বেড়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ৭ টাকা ৩৩ পয়সা।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে অটোগ্যাসের মূল্য ছিল প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৯ পয়সা। অক্টোবর মাসে তা বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়।

এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণে আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশনও সংশোধন করা হয়েছে।

১২ কেজির সিলিন্ডারে আমদানিকারকদের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ, যার মধ্যে অপারেটরের প্ল্যান্ট থেকে পরিবেশক পর্যন্ত পরিবহন খরচ অন্তর্ভুক্ত, ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮১ টাকা ৭৬ পয়সা করা হয়েছে।

ডিলারদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ ও বিপণন ব্যয় বৃদ্ধিও নতুন দামের ওপর প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছে বিইআরসি।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ