দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশে, যা বিগত কয়েক বছরের ফলাফলের তুলনায় সর্বনিম্ন। এ বছর বোর্ডের আওতায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া বোর্ডের অধীন ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি এবং বিপরীতে মাত্র ছয়টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের রেকর্ড হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, চলতি বছর দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫১ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী।
বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৮৩ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৫৭০ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির পাশাপাশি সামগ্রিক পাসের হারেও ছাত্রদের তুলনায় স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। এবার ছাত্রদের পাসের হার ৪১ দশমিক ৩১ শতাংশ, যেখানে ছাত্রীদের পাসের হার ৫০ দশমিক ২৬ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলের চিত্রে দেখা যায়, সবচেয়ে ভালো ফল করেছেন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। অন্যদিকে মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম পাসের হার ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে, মাত্র ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, একদিকে যেমন অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি, তেমনি শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিক ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
মন্তব্যসমূহ