রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ তাঁর উত্তরার বাসায় নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর সোয়া ২টার দিকে চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় আইনি ও চিকিৎসাগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর স্বজনরা মরদেহ নিয়ে উত্তরার বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হন।
এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর রাতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণের জন্য মরদেহ ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান। সুরতহাল তৈরির সময় নিহতের খালাতো ভাই জহির হাসান উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাহসিফের মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তাহসিফ সাউরির শরীরে বাহ্যিকভাবে ধারালো বা ভোঁতা অস্ত্রের কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ধারের সময় তাঁর নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা যায় এবং তাঁর পেট স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা ফোলা ছিল।
এদিকে তাহসিফের আকস্মিক নিখোঁজ হওয়ার রাতের বিষয়ে তাঁর স্বজন ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দ্বীপ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। তবে এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা—তা ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্যসমূহ