ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ইসরায়েলের নির্বাচনে ৫২ আসনে নেতানিয়াহুর জোট, বিরোধীদের ৪৯

ইসরায়েলের নির্বাচনে ৫২ আসনে নেতানিয়াহুর জোট, বিরোধীদের ৪৯
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে গভীর রাতে পাল্টে গেছে বুথফেরত জরিপের হিসাব। ভোটগ্রহণ শেষে প্রথম দিকে বিরোধী জোট এগিয়ে থাকলেও হালনাগাদ জরিপে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট। তবে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের আভাস না পাওয়ায় দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর প্রকাশিত হালনাগাদ বুথফেরত জরিপে নেতানিয়াহুর জোটকে ৫২টি এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবিরকে ৪৯টি আসনে এগিয়ে রাখা হয়েছে।

ইসরায়েলের চ্যানেল টুয়েলভের এই জরিপ অনুযায়ী, আরব রাজনৈতিক দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পেতে পারে।

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে মোট ১২০টি আসন রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসনের সমর্থন। ফলে সর্বশেষ জরিপের হিসাব অনুযায়ী, প্রধান দুই রাজনৈতিক শিবিরের কোনোটিই নিজেদের শক্তিতে সরকার গঠনের অবস্থানে নেই।

শুধু চ্যানেল টুয়েলভ নয়, ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান ইলেভেন এবং চ্যানেল থার্টিনও নির্বাচনের বুথফেরত জরিপ প্রকাশ করেছে।

এই দুই সম্প্রচারমাধ্যমের হালনাগাদ হিসাবে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট এবং আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির উভয়েই ৫১টি করে আসন পাওয়ার আভাস পেয়েছে।

অর্থাৎ, বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যমের জরিপে আসনসংখ্যার কিছু পার্থক্য থাকলেও একটি বিষয়ে মিল রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক শিবিরই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের সীমা অতিক্রম করতে পারছে না।

এর ফলে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর রাজনৈতিক সমঝোতা এবং জোট গঠনের আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

জোটগত সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনিশ্চিত থাকলেও একক রাজনৈতিক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ার আভাস পেয়েছে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি।

হালনাগাদ জরিপ অনুযায়ী, লিকুদ ২৭টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের ইয়াশার পার্টির সম্ভাব্য আসনসংখ্যা ২১।

এর আগে প্রকাশিত হিসাবের তুলনায় লিকুদের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে।

কান ইলেভেনের হালনাগাদ জরিপ অনুযায়ী, লিকুদের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা দুটি বেড়ে ২৭টিতে পৌঁছেছে। তবে নেতানিয়াহুর মিত্র উগ্র ডানপন্থী দল ওতজমা ইয়েহুদিত একটি আসন হারিয়ে ছয়টিতে নেমেছে।

অন্যদিকে বিরোধী জোটের বামপন্থী ডেমোক্র্যাট দলও একটি আসন হারিয়ে নয়টিতে নেমে এসেছে।

নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে আরব রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান।

চ্যানেল টুয়েলভের জরিপে আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পাওয়ার আভাস পেয়েছে।

এসব দল নেতানিয়াহুর বিরোধী হওয়ায় তাঁর পক্ষে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সমর্থন পাওয়া কঠিন হতে পারে।

অন্যদিকে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের পক্ষেও আরব দলগুলোর সরাসরি অংশগ্রহণ কিংবা সমর্থন ছাড়া সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা সহজ হবে না।

ফলে দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে কে সরকার গঠন করতে পারবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গভীর রাতে বুথফেরত জরিপের হালনাগাদ ফল প্রকাশের পর জেরুজালেমে লিকুদ পার্টির নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ ব্যালট পেপার শূন্যে উড়িয়ে উল্লাস করেন।

দলটির শীর্ষ নেতারা একে একে কার্যালয়ে পৌঁছালে কর্মীরা তাঁদের স্বাগত জানান।

এ সময় জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন এবং প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আমিচাই চিকলি দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে যাওয়ার আভাস পেলেও বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট নির্বাচনের ফল নিয়ে আশাবাদী অবস্থান প্রকাশ করেছেন।

নিজ দলের কার্যালয়ে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।

আইজেনকট বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এবং নেতানিয়াহুর ব্যর্থ শাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।’

তিনি নেতানিয়াহুকে জনগণের অনাস্থা মেনে নিয়ে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে একটি দায়িত্বশীল জায়োনিস্ট সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর ঘোষণা দেন ইয়াশার পার্টির প্রধান।

তাঁর পরিকল্পিত সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকবে সবার জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা চালু এবং হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার উদ্যোগ।

দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন আইজেনকট।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক স্বার্থে নয়, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

নিজের বক্তব্যে আইজেনকট আরও বলেন, ‘মিথ্যা ও ব্যর্থতার যুগ এবার শেষ হয়েছে।’

নির্বাচনের বুথফেরত জরিপে স্পষ্ট বিজয়ী না পাওয়ায় ইসরায়েলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নেতানিয়াহু ও আইজেনকট উভয়েই প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে শেষ পর্যন্ত কে সরকার গঠনের সুযোগ পাবেন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার ওপর।

প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে কোনো পক্ষ সফল না হলে ইসরায়েলকে আবারও নির্বাচনের দিকে যেতে হতে পারে।

তবে বুথফেরত জরিপের হিসাব চূড়ান্ত নির্বাচনী ফল নয়। আনুষ্ঠানিক ভোট গণনার পর আসনসংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

ট্যাগ : বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েল নির্বাচন

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


ইসরায়েলের নির্বাচনে ৫২ আসনে নেতানিয়াহুর জোট, বিরোধীদের ৪৯

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে গভীর রাতে পাল্টে গেছে বুথফেরত জরিপের হিসাব। ভোটগ্রহণ শেষে প্রথম দিকে বিরোধী জোট এগিয়ে থাকলেও হালনাগাদ জরিপে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট। তবে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের আভাস না পাওয়ায় দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর প্রকাশিত হালনাগাদ বুথফেরত জরিপে নেতানিয়াহুর জোটকে ৫২টি এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবিরকে ৪৯টি আসনে এগিয়ে রাখা হয়েছে।

ইসরায়েলের চ্যানেল টুয়েলভের এই জরিপ অনুযায়ী, আরব রাজনৈতিক দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পেতে পারে।

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে মোট ১২০টি আসন রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসনের সমর্থন। ফলে সর্বশেষ জরিপের হিসাব অনুযায়ী, প্রধান দুই রাজনৈতিক শিবিরের কোনোটিই নিজেদের শক্তিতে সরকার গঠনের অবস্থানে নেই।

শুধু চ্যানেল টুয়েলভ নয়, ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান ইলেভেন এবং চ্যানেল থার্টিনও নির্বাচনের বুথফেরত জরিপ প্রকাশ করেছে।

এই দুই সম্প্রচারমাধ্যমের হালনাগাদ হিসাবে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট এবং আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির উভয়েই ৫১টি করে আসন পাওয়ার আভাস পেয়েছে।

অর্থাৎ, বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যমের জরিপে আসনসংখ্যার কিছু পার্থক্য থাকলেও একটি বিষয়ে মিল রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক শিবিরই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের সীমা অতিক্রম করতে পারছে না।

এর ফলে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর রাজনৈতিক সমঝোতা এবং জোট গঠনের আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

জোটগত সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনিশ্চিত থাকলেও একক রাজনৈতিক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ার আভাস পেয়েছে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি।

হালনাগাদ জরিপ অনুযায়ী, লিকুদ ২৭টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের ইয়াশার পার্টির সম্ভাব্য আসনসংখ্যা ২১।

এর আগে প্রকাশিত হিসাবের তুলনায় লিকুদের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে।

কান ইলেভেনের হালনাগাদ জরিপ অনুযায়ী, লিকুদের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা দুটি বেড়ে ২৭টিতে পৌঁছেছে। তবে নেতানিয়াহুর মিত্র উগ্র ডানপন্থী দল ওতজমা ইয়েহুদিত একটি আসন হারিয়ে ছয়টিতে নেমেছে।

অন্যদিকে বিরোধী জোটের বামপন্থী ডেমোক্র্যাট দলও একটি আসন হারিয়ে নয়টিতে নেমে এসেছে।

নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে আরব রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান।

চ্যানেল টুয়েলভের জরিপে আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পাওয়ার আভাস পেয়েছে।

এসব দল নেতানিয়াহুর বিরোধী হওয়ায় তাঁর পক্ষে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সমর্থন পাওয়া কঠিন হতে পারে।

অন্যদিকে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের পক্ষেও আরব দলগুলোর সরাসরি অংশগ্রহণ কিংবা সমর্থন ছাড়া সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা সহজ হবে না।

ফলে দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে কে সরকার গঠন করতে পারবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গভীর রাতে বুথফেরত জরিপের হালনাগাদ ফল প্রকাশের পর জেরুজালেমে লিকুদ পার্টির নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ ব্যালট পেপার শূন্যে উড়িয়ে উল্লাস করেন।

দলটির শীর্ষ নেতারা একে একে কার্যালয়ে পৌঁছালে কর্মীরা তাঁদের স্বাগত জানান।

এ সময় জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন এবং প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আমিচাই চিকলি দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে যাওয়ার আভাস পেলেও বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট নির্বাচনের ফল নিয়ে আশাবাদী অবস্থান প্রকাশ করেছেন।

নিজ দলের কার্যালয়ে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।

আইজেনকট বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এবং নেতানিয়াহুর ব্যর্থ শাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।’

তিনি নেতানিয়াহুকে জনগণের অনাস্থা মেনে নিয়ে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে একটি দায়িত্বশীল জায়োনিস্ট সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর ঘোষণা দেন ইয়াশার পার্টির প্রধান।

তাঁর পরিকল্পিত সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকবে সবার জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা চালু এবং হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার উদ্যোগ।

দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন আইজেনকট।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক স্বার্থে নয়, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

নিজের বক্তব্যে আইজেনকট আরও বলেন, ‘মিথ্যা ও ব্যর্থতার যুগ এবার শেষ হয়েছে।’

নির্বাচনের বুথফেরত জরিপে স্পষ্ট বিজয়ী না পাওয়ায় ইসরায়েলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নেতানিয়াহু ও আইজেনকট উভয়েই প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে শেষ পর্যন্ত কে সরকার গঠনের সুযোগ পাবেন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার ওপর।

প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে কোনো পক্ষ সফল না হলে ইসরায়েলকে আবারও নির্বাচনের দিকে যেতে হতে পারে।

তবে বুথফেরত জরিপের হিসাব চূড়ান্ত নির্বাচনী ফল নয়। আনুষ্ঠানিক ভোট গণনার পর আসনসংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ