ডি’অর অনুষ্ঠানে বিশ্বের সেরা কোচের পুরস্কার পেয়েছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। একই আয়োজনে পুরুষদের সেরা ক্লাবের স্বীকৃতি পেয়েছে প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি)। এদিকে পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন এবং মেয়েদের বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন স্পেনের অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস।
সোমবার রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন আয়োজিত অনুষ্ঠানে দে লা ফুয়েন্তের হাতে সেরা কোচের পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এই স্বীকৃতির লড়াইয়ে তিনি পেছনে ফেলেছেন প্যারিস সেন্ট-জার্মেইয়ের লুইস এনরিকে, আর্সেনালের মিকেল আর্তেতা, অ্যাস্টন ভিলার উনাই এমেরি ও বায়ার্ন মিউনিখের ভিনসেন্ট কোম্পানিকে।
স্পেনের হয়ে দে লা ফুয়েন্তের সাফল্যই পুরস্কার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ জুলাই ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকা স্পেন মাত্র একটি গোল হজম করে। আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই বিভাগেই দলটির পারফরম্যান্স ছিল উল্লেখযোগ্য।
টানা দ্বিতীয়বার সেরা ক্লাব পিএসজি
পুরুষদের সেরা ক্লাবের পুরস্কার ধরে রেখেছে পিএসজি। টানা দ্বিতীয় বছর এই স্বীকৃতি পেল ফরাসি ক্লাবটি। গত বছরের ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে পিএসজির পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
চূড়ান্ত সংক্ষিপ্ত তালিকায় পিএসজির সঙ্গে ছিল আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ, বোদো/গ্লিমট ও ফ্ল্যামেঙ্গো। প্রতিবেদনে পিএসজির টানা দ্বিতীয়বার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের বিষয়টিকে পুরস্কার পাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুরুষদের ডি’অর কেইনের, মেয়েদের পুতেয়াসের
ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে প্রথমবারের মতো পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এই পুরস্কারের দৌড়ে পেছনে ফেলেছেন স্পেনের লামিন ইয়ামাল ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে।
অন্যদিকে মেয়েদের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের তারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। বার্সেলোনার সাবেক এই মিডফিল্ডার এর আগে ২০২১ ও ২০২২ সালেও পুরস্কারটি জিতেছিলেন। এবার তৃতীয়বারের মতো মেয়েদের ব্যালন ডি’অর জিতে নারী ফুটবলে নিজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন তিনি।
মন্তব্যসমূহ