বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য আব্দুল হাই আর নেই। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর বুধবার রাত ১টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
শোকবার্তায় রিজভী বলেন, আব্দুল হাই ১৯৭৯ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নীতি ও আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের অনুসারী হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
রিজভীর ভাষ্য অনুযায়ী, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনেও আব্দুল হাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে তিনি নিজ এলাকা মুন্সিগঞ্জসহ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আব্দুল হাই ছিলেন প্রাজ্ঞ ও জনঘনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ। একই সঙ্গে সজ্জন ও বিনয়ী মানুষ হিসেবেও বিভিন্ন মহলে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, মানুষের বাক্স্বাধীনতা, ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের পক্ষে আব্দুল হাইয়ের ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত হয়েছেন বলেও জানান।
আব্দুল হাইয়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন রিজভী।
এ ছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুও পৃথক শোকবার্তায় আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
দলীয় সূত্রের বরাতে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, আব্দুল হাই মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন এবং পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অবসানে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
মন্তব্যসমূহ