স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। এ সময় দুই দেশের স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা বাড়ানো, ওষুধ বাণিজ্য, চিকিৎসকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং অঙ্গ প্রতিস্থাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আলোচনার বিস্তারিত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, ওষুধ এবং সার্জিক্যাল সরঞ্জামের বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশ থেকে ভ্যাকসিন ও ক্যান্সারের ওষুধ রপ্তানি আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে পাকিস্তানি উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এ বিষয়ে কয়েকটি প্রস্তাব স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
তিনি জানান, পাকিস্তানের গাম্বাট ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (জিআইএমএস) বাংলাদেশি চিকিৎসকদের লিভার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে আগ্রহী।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশে লিভার প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচারে কারিগরি ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টিও প্রস্তাবে রয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসকদের দক্ষতা উন্নয়ন, অঙ্গ প্রতিস্থাপন চিকিৎসা এবং ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর বাণিজ্যে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
মন্তব্যসমূহ