ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

‘এফ-৩৫ ও এফ-১৫ শিকারের যুগ শুরু হয়েছে’: গালিবাফ

‘এফ-৩৫ ও এফ-১৫ শিকারের যুগ শুরু হয়েছে’: গালিবাফ
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেছেন, মার্কিন এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা এখন থেকে যুদ্ধের নিয়মিত বাস্তবতার অংশ। ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ সপ্তম মাসে প্রবেশের প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, মার্কিন এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ‘শিকার’ হওয়ার এবং সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর প্রকাশের সময় শুরু হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, যা একসময় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কেবল দুঃস্বপ্ন বলে মনে হতো, তা এখন প্রতিদিনের বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্রকে মানিয়ে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গালিবাফের এই বক্তব্য আসে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন সামরিক ইউনিটগুলোকে স্বয়ংক্রিয় বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ব্যবস্থার হামলার ঝুঁকি, বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক জ্যামিং এবং রিয়েল-টাইম নজরদারির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে প্রকাশিত মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের একটি প্রতিবেদনে দেশটির সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর হামলার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ও উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটির শত শত ভবন ও স্থাপনা ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধের কয়েক মাসে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু অস্ত্রের মজুতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে গোলাবারুদ খাতে প্রায় ২২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোর বিষয়ে গালিবাফের দাবির সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তার বক্তব্য মূলত চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ইরানের রাজনৈতিক অবস্থানকে তুলে ধরে।

চলমান যুদ্ধের মধ্যে উভয় পক্ষই সামরিক সক্ষমতা, ক্ষয়ক্ষতি ও যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন দাবি করে আসছে। ফলে এসব দাবির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ট্যাগ : ইরান যুক্তরাষ্ট্র মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘এফ-৩৫ ও এফ-১৫ শিকারের যুগ শুরু হয়েছে’: গালিবাফ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেছেন, মার্কিন এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা এখন থেকে যুদ্ধের নিয়মিত বাস্তবতার অংশ। ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ সপ্তম মাসে প্রবেশের প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, মার্কিন এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ‘শিকার’ হওয়ার এবং সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর প্রকাশের সময় শুরু হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, যা একসময় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কেবল দুঃস্বপ্ন বলে মনে হতো, তা এখন প্রতিদিনের বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্রকে মানিয়ে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গালিবাফের এই বক্তব্য আসে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন সামরিক ইউনিটগুলোকে স্বয়ংক্রিয় বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ব্যবস্থার হামলার ঝুঁকি, বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক জ্যামিং এবং রিয়েল-টাইম নজরদারির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে প্রকাশিত মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের একটি প্রতিবেদনে দেশটির সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর হামলার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ও উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটির শত শত ভবন ও স্থাপনা ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধের কয়েক মাসে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু অস্ত্রের মজুতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে গোলাবারুদ খাতে প্রায় ২২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোর বিষয়ে গালিবাফের দাবির সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তার বক্তব্য মূলত চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ইরানের রাজনৈতিক অবস্থানকে তুলে ধরে।

চলমান যুদ্ধের মধ্যে উভয় পক্ষই সামরিক সক্ষমতা, ক্ষয়ক্ষতি ও যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন দাবি করে আসছে। ফলে এসব দাবির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ