অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং অভিযান আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আগামী পাঁচ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় দেশের বিমানবন্দর, মোংলা নৌবন্দর এবং বিভিন্ন বাস টার্মিনালে স্ক্যানার ও এক্স-রে মেশিন স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে মেহেরপুর-১ আসনের বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে। এ লক্ষ্যে ডগ স্কোয়াড, ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব এবং সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটকে কাজে লাগিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতে জনবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে সার্কেল অফিস স্থাপনের জন্য সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা পর্যায়ে নতুন অফিস ভবন নির্মাণের কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাদকবিরোধী অভিযান আরও শক্তিশালী করতে অতিরিক্ত যানবাহন, বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং আধুনিক সরঞ্জাম কেনা হবে।
তিনি আরও জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাসায়নিক পরীক্ষাগার বা কেমিক্যাল টেস্টিং ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জনবল, যানবাহন ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি জানান, বিশেষ করে মেহেরপুর-১ আসনের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাদক পাচার রোধে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল ও আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে।