দিনের শুরুতে সকালের নাশতা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে ঘুম থেকে ওঠার পর ঠিক কতক্ষণ পর নাশতা করা উচিত, এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার পর ক্ষুধা লাগলেই নাশতা করা যেতে পারে। কারও এক ঘণ্টা পর ক্ষুধা লাগতে পারে, আবার কারও সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরপরই খাওয়ার ইচ্ছা হতে পারে।
তবে সকালে ক্ষুধা না লাগলে জোর করে খাবার খাওয়ার প্রয়োজন নেই। এ ক্ষেত্রে হালকা গরম পানি বা চিয়া, তিসি কিংবা মৌরির পানি দিয়ে দিনের শুরু করা যেতে পারে।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, নাশতার সময় ব্যক্তির বিপাকক্রিয়া, হজমক্ষমতা ও দৈনন্দিন রুটিনের ওপর নির্ভর করে। তবে সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মধ্যে অন্তত তিন ঘণ্টার ব্যবধান রাখা জরুরি।
খুব দেরিতে নাশতা করলে পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। তাই ক্ষুধা অনুযায়ী সময়মতো নাশতা করাই ভালো।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সকালের খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজের ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন। সাধারণভাবে সকাল ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে নাশতা শেষ করা ভালো বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা।