ঢাকা    মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচম বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচম বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচম বিদেশের বাজারে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিন দিনব্যাপী ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টাঙ্গাইলের চমচম শুধু জেলার নয়, এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যেরও একটি অংশ। টাঙ্গাইলের শাড়ির মতোই চমচমেরও দেশ-বিদেশে পরিচিতি রয়েছে। এ ঐতিহ্যবাহী পণ্যকে আরও জনপ্রিয় ও সমৃদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় ঐতিহ্য ও পণ্য মানুষের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য ও অর্জন পুরো দেশের মানুষের জন্য গর্বের বিষয়। এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখে ভবিষ্যতে নিরাপদ ও সমৃদ্ধ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে গোপালপুরের একটি অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, চমচম ও আনারসের কথা উল্লেখ করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের চমচম কীভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নেবে।

তিনি বলেন, চমচম শিল্পের প্রসার ঘটলে রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি এ খাতে মানুষের আগ্রহ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে।

টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্পের উন্নয়ন নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদেশে টাঙ্গাইলের শাড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে প্রান্তিক পর্যায়ের তাঁতিদের স্বল্প সুদে ঋণ ও আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে একটি সমাবেশ আয়োজন করা হবে। সেখানে তাঁতশিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

টাঙ্গাইলের পর্যটন সম্ভাবনা এবং শত বছরের মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্য দেশ-বিদেশে তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় পণ্যের প্রচারের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো এ মিষ্টি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা উৎসবে জেলার ১২ উপজেলা থেকে ২৩টি স্টল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ২০টি স্টলে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি এবং তিনটি স্টলে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এর আগে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচম বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী চমচম বিদেশের বাজারে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিন দিনব্যাপী ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টাঙ্গাইলের চমচম শুধু জেলার নয়, এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যেরও একটি অংশ। টাঙ্গাইলের শাড়ির মতোই চমচমেরও দেশ-বিদেশে পরিচিতি রয়েছে। এ ঐতিহ্যবাহী পণ্যকে আরও জনপ্রিয় ও সমৃদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় ঐতিহ্য ও পণ্য মানুষের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য ও অর্জন পুরো দেশের মানুষের জন্য গর্বের বিষয়। এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখে ভবিষ্যতে নিরাপদ ও সমৃদ্ধ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে গোপালপুরের একটি অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, চমচম ও আনারসের কথা উল্লেখ করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের চমচম কীভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নেবে।

তিনি বলেন, চমচম শিল্পের প্রসার ঘটলে রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি এ খাতে মানুষের আগ্রহ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে।

টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্পের উন্নয়ন নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদেশে টাঙ্গাইলের শাড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে প্রান্তিক পর্যায়ের তাঁতিদের স্বল্প সুদে ঋণ ও আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে একটি সমাবেশ আয়োজন করা হবে। সেখানে তাঁতশিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

টাঙ্গাইলের পর্যটন সম্ভাবনা এবং শত বছরের মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্য দেশ-বিদেশে তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় পণ্যের প্রচারের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো এ মিষ্টি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা উৎসবে জেলার ১২ উপজেলা থেকে ২৩টি স্টল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ২০টি স্টলে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি এবং তিনটি স্টলে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এর আগে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ