ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময়সীমা শেষ হয়েছে। নতুন মৌসুমের জন্য বেশিরভাগ ক্লাব নিজেদের স্কোয়াড গুছিয়ে নিলেও এখনো বেশ কয়েকজন পরিচিত ফুটবলার নতুন ঠিকানার অপেক্ষায় রয়েছেন।
এবারের গ্রীষ্মে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো দলবদলে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে। প্রায় ৩ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন পাউন্ড খরচের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফারে নতুন রেকর্ড গড়েছে ইংলিশ ক্লাবগুলো। বড় অঙ্কের লেনদেনে একাধিক তারকা নতুন ক্লাবে যোগ দিলেও কিছু অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এখনো ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রয়েছেন।
এই তালিকার সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি পল পগবা। মোনাকোর সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর নতুন ক্লাব খুঁজছেন বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি মিডফিল্ডার। গত মৌসুমে মোনাকোর হয়ে মাত্র ছয়টি ম্যাচে খেলেছেন তিনি। এর মধ্যে পাঁচ ম্যাচেই বদলি হিসেবে মাঠে নামেন পগবা। বর্তমানে তার সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে মেজর লিগ সকারের কয়েকটি ক্লাবের নাম শোনা যাচ্ছে।
ক্লাবহীন তারকাদের মধ্যে রয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক উইঙ্গার রাহিম স্টার্লিংও। চেলসির সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর ফেইনুর্দে সময় কাটালেও নিজের সেরা ছন্দে ফিরতে পারেননি তিনি। ৩১ বছর বয়সী এই ফুটবলার তাই নতুন মৌসুম শুরুর পরও কোনো ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেননি।
একই পরিস্থিতিতে রয়েছেন জ্যাডন স্যাঞ্চো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করতে না পেরে ধারেই একাধিক ক্লাবে খেলেছেন তিনি। বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, চেলসি ও অ্যাস্টন ভিলায় ধারে খেলার পরও স্থায়ী কোনো ঠিকানা পাননি ইংলিশ উইঙ্গার। বর্তমানে ফিটনেস ধরে রাখতে ফ্লিক্সটন এফসির সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করছেন তিনি। কাতারের ক্লাব আল রাইয়ান স্যাঞ্চোর প্রতি আগ্রহ দেখালেও এখনো চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়নি।
এ ছাড়া ক্লাবহীন তারকাদের তালিকায় রয়েছেন ইভ বিসুমা, রিস নেলসন, ওলেক্সান্ডার জিনচেঙ্কো, রিয়াদ মাহরেজ, দানি কারভাহাল, মাউরো ইকার্দি ও ডেভিড আলাবার মতো পরিচিত ফুটবলাররা।
তবে ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ায় এসব খেলোয়াড়ের জন্য নতুন ক্লাব পাওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। ফ্রি এজেন্টদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমার বাইরেও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করার সুযোগ থাকে। ফলে সেপ্টেম্বর মাসেও তালিকায় থাকা এসব তারকার কয়েকজন নতুন ক্লাবে যোগ দিতে পারেন।
মন্তব্যসমূহ