নতুন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে অনলাইনে ভর্তি আবেদন কবে থেকে শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী সপ্তাহে আবেদনের সময়সূচি নির্ধারণ হতে পারে।
বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানান, একাদশে ভর্তির তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আগামী সপ্তাহের রোববার বা সোমবারের মধ্যে আবেদন শুরুর সময় নির্ধারণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, নতুন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়া ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। অন্যদিকে দেশের কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে আসন রয়েছে প্রায় ২৭ লাখ ৫০ হাজার।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্র অনুযায়ী, দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৯ হাজার ৩১৪টি। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রয়েছে ৮ হাজার ৭১টি কলেজ ও মাদরাসা।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর তুলনায় আসনসংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় এবার প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন খালি থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে এবার পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ পয়েন্ট।
এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ছেলেদের তুলনায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯৮২ জন বেশি মেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছেলেদের তুলনায় ১১ হাজার ৪০১ জন বেশি মেয়ে রয়েছে।
২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জনে। অর্থাৎ এক বছরে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১৯ হাজার ৯ জন।
এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৩০৩টি এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২০১টি বেড়েছে।
মন্তব্যসমূহ