চলতি সপ্তাহে পাঁচ দিনের যুদ্ধ প্রস্তুতি মহড়া পরিচালনা করবে তাইওয়ানের সেনাবাহিনী। সামরিক প্রশিক্ষণকে আরও বাস্তবধর্মী ও যুদ্ধকেন্দ্রিক করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
‘ইমিডিয়েট কমব্যাট রেডিনেস এক্সারসাইজ’ নামের এই মহড়া সোমবার (২২ জুন) শুরু হয়ে শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। এটি তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশ। খবর রয়টার্সের।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন ইউনিটকে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্রুত মোতায়েন, যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিবেশ এবং সামরিক কার্যক্রমের সঙ্গে আরও অভ্যস্ত করে তোলা।
এতে ‘প্রকৃত সেনাসদস্য ও সামরিক সরঞ্জাম’ ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে রূপান্তর, সেনা মোতায়েন এবং যৌথ সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এদিকে একই দিনে তাইওয়ান জানায়, দ্বীপটির আশপাশের আকাশসীমায় আবারও বড় সংখ্যায় সামরিক বিমান পাঠিয়েছে চীন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২১টি চীনা সামরিক বিমান শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে জে-১৬ যুদ্ধবিমান, কেজে-৫০০ আকাশভিত্তিক সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ বিমান এবং ওয়াই-২০ আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান রয়েছে।
এর মধ্যে ১৯টি বিমান তাইওয়ানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশসীমা অতিক্রম করেছে এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় দূরপাল্লার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়।
প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ান নিজস্ব বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি নতুন হিমার্স রকেট সিস্টেম ব্যবহার করে একটি সামরিক মহড়া সম্পন্ন করে। দেশটির সবচেয়ে বড় বার্ষিক সামরিক মহড়া ‘হান কুয়াং’ আগামী আগস্টে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স