ঢাকা    শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬ মামলায় ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬ মামলায় ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২।

এসব রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১১ জনকে যাবজ্জীবন এবং অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়েছিল। ছয়টি মামলার রায়ের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতির একটি বড় অংশ বাস্তবায়িত হয়েছে।

তিনি বলেন, দুটি ট্রাইব্যুনালে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলছে। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলা গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সব মামলার বিচার নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম মামলার রায় ঘোষণা করা হয় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং নিহতদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও ওই রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড এবং সাবেক পুলিশপ্রধানের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের তথ্য জানিয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয় আন্দোলনকারীকে হত্যার মামলায় ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। মামলাটির রায়ের তারিখ ২৬ জানুয়ারি নির্ধারিত হওয়ার বিষয়টি আদালত ও একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।

রায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুলকে ছয় বছর, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক আরশেদ হোসেনকে চার বছর এবং তিন কনস্টেবলকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আশুলিয়ায় ছয়জনের মরদেহ পোড়ানো এবং আরও একজনকে হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সাতজনকে যাবজ্জীবন এবং আরও দুজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, সাবেক এসআই আবদুল মালেক, সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার ও যুবলীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় হত্যাকাণ্ড ও মরদেহ পোড়ানোর ঘটনাটি ঘটে।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে হত্যার মামলায় সাবেক এএসআই মো. আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রলীগের নেতাসহ অন্য আসামিদের তিন থেকে ১০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তার মৃত্যুর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আন্দোলন দেশব্যাপী আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

রাজধানীর রামপুরায় নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি এবং একই এলাকায় আরও দুজনকে হত্যার মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান।

একই মামলায় সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন এবং সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমন এবং কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে ভূমিকা এবং কমান্ড রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ আনা হয়। দুটি অভিযোগে এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের ২৬ মে চানখাঁরপুল হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণের মধ্য দিয়ে জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

বর্তমানে দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের গুম, নির্যাতন ও অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার চলছে।

ট্যাগ : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধ জুলাই গণঅভ্যুত্থান

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬ মামলায় ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২।

এসব রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১১ জনকে যাবজ্জীবন এবং অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়েছিল। ছয়টি মামলার রায়ের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতির একটি বড় অংশ বাস্তবায়িত হয়েছে।

তিনি বলেন, দুটি ট্রাইব্যুনালে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলছে। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলা গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সব মামলার বিচার নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম মামলার রায় ঘোষণা করা হয় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং নিহতদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও ওই রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড এবং সাবেক পুলিশপ্রধানের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের তথ্য জানিয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয় আন্দোলনকারীকে হত্যার মামলায় ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। মামলাটির রায়ের তারিখ ২৬ জানুয়ারি নির্ধারিত হওয়ার বিষয়টি আদালত ও একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।

রায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুলকে ছয় বছর, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক আরশেদ হোসেনকে চার বছর এবং তিন কনস্টেবলকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আশুলিয়ায় ছয়জনের মরদেহ পোড়ানো এবং আরও একজনকে হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সাতজনকে যাবজ্জীবন এবং আরও দুজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, সাবেক এসআই আবদুল মালেক, সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার ও যুবলীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় হত্যাকাণ্ড ও মরদেহ পোড়ানোর ঘটনাটি ঘটে।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে হত্যার মামলায় সাবেক এএসআই মো. আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রলীগের নেতাসহ অন্য আসামিদের তিন থেকে ১০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তার মৃত্যুর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আন্দোলন দেশব্যাপী আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

রাজধানীর রামপুরায় নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি এবং একই এলাকায় আরও দুজনকে হত্যার মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান।

একই মামলায় সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন এবং সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমন এবং কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে ভূমিকা এবং কমান্ড রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ আনা হয়। দুটি অভিযোগে এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের ২৬ মে চানখাঁরপুল হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণের মধ্য দিয়ে জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

বর্তমানে দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের গুম, নির্যাতন ও অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার চলছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ