২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে ব্যালন ডি’অরের লড়াই। বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সে কয়েকজন তারকা নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন। অন্যদিকে ক্লাব মৌসুমে ধারাবাহিক নৈপুণ্য দেখানো ফুটবলাররাও রয়েছেন আলোচনায়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রকাশিত পাওয়ার র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে রাখা হয়েছে স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রিকে। পরের চারটি স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে হ্যারি কেইন, লামিনে ইয়ামাল, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপে স্পেনকে শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রদ্রি। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে জেতেন ফিফার গোল্ডেন বল। ক্লাব মৌসুমের শুরুতে চোট কাটিয়ে ফেরায় প্রত্যাশিত ছন্দে না থাকলেও বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স তাকে ব্যালন ডি’অরের অন্যতম দাবিদারে পরিণত করেছে।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২০২৫–২৬ মৌসুমে ৫১ ম্যাচে ৬১ গোল করেন। ক্লাবকে ঘরোয়া লিগ ও কাপের শিরোপা জেতানোর পাশাপাশি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে ছয় গোল করেন তিনি। ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের বিচারে তাকে পুরস্কারটির অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তৃতীয় স্থানে রয়েছেন স্পেন ও বার্সেলোনার ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল। ক্লাব পর্যায়ে দুর্দান্ত মৌসুম কাটানোর পর স্পেনের বিশ্বকাপ জয়েও অবদান রাখেন তিনি। অল্প বয়সেই ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়েছেন এই ফুটবলার।
চতুর্থ স্থানে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ১০ গোল করে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জেতেন। বিশ্বকাপে তার মোট গোল এখন ২২টি—যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে বড় শিরোপা জিততে না পারা ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে তার জন্য বাধা হতে পারে।
র্যাঙ্কিংয়ের পঞ্চম স্থানে রয়েছেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপে আট গোল করে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও টুর্নামেন্টজুড়ে তার পারফরম্যান্স ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
তবে পাওয়ার র্যাঙ্কিংটি ব্যালন ডি’অরের আনুষ্ঠানিক তালিকা নয়। এটি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব মূল্যায়ন। পুরস্কারের চূড়ান্ত ফল ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।