ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে জাপানের দাপট

বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে জাপানের দাপট
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে তিউনিসিয়া ও জাপান। মেক্সিকোর এস্তাদিও মনতেরেতে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলছে জাপান, যার ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রথমার্ধেই তাদের হাতে চলে যায়।

ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় জাপান। কেইতো নাকামুরার তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে দাইচি কামাদা গোল করে দলকে দ্রুত লিড এনে দেন। এই গোলটি বিশ্বকাপে জাপানের ইতিহাসে অন্যতম দ্রুততম গোলগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গোল হজমের পর তিউনিসিয়া ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও জাপানের সংগঠিত রক্ষণভাগ ও শক্তিশালী মাঝমাঠ তাদের আক্রমণ বারবার থামিয়ে দেয়। বল দখল ও পাসিংয়ে জাপান স্পষ্টভাবে এগিয়ে থাকে।

৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জাপান। কো ইতাকুরার দারুণ পাস থেকে বল পেয়ে আয়াসে উএদা বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন। তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি।

এরপরও আক্রমণের গতি কমায়নি জাপান। ম্যাচজুড়ে বল নিয়ন্ত্রণ, গতি ও সংগঠিত খেলার মাধ্যমে তারা প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে। অন্যদিকে তিউনিসিয়া কিছু আক্রমণ গড়ে তুললেও জাপানের রক্ষণ তা সহজেই সামাল দেয়।

বর্তমান অবস্থায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি জাপানের দিকে ঝুঁকে রয়েছে। জয় ধরে রাখতে পারলে নকআউট পর্বের পথে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ এগিয়ে যাবে এশিয়ার এই দলটি।

গ্রুপ এফের সমীকরণে এই ম্যাচের ফলাফল বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগ : বিশ্বকাপ ফুটবল জাপান মেক্সিকো

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে জাপানের দাপট

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬

featured Image

বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে তিউনিসিয়া ও জাপান। মেক্সিকোর এস্তাদিও মনতেরেতে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলছে জাপান, যার ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রথমার্ধেই তাদের হাতে চলে যায়।

ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় জাপান। কেইতো নাকামুরার তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে দাইচি কামাদা গোল করে দলকে দ্রুত লিড এনে দেন। এই গোলটি বিশ্বকাপে জাপানের ইতিহাসে অন্যতম দ্রুততম গোলগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গোল হজমের পর তিউনিসিয়া ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও জাপানের সংগঠিত রক্ষণভাগ ও শক্তিশালী মাঝমাঠ তাদের আক্রমণ বারবার থামিয়ে দেয়। বল দখল ও পাসিংয়ে জাপান স্পষ্টভাবে এগিয়ে থাকে।

৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জাপান। কো ইতাকুরার দারুণ পাস থেকে বল পেয়ে আয়াসে উএদা বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন। তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি।

এরপরও আক্রমণের গতি কমায়নি জাপান। ম্যাচজুড়ে বল নিয়ন্ত্রণ, গতি ও সংগঠিত খেলার মাধ্যমে তারা প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে। অন্যদিকে তিউনিসিয়া কিছু আক্রমণ গড়ে তুললেও জাপানের রক্ষণ তা সহজেই সামাল দেয়।

বর্তমান অবস্থায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি জাপানের দিকে ঝুঁকে রয়েছে। জয় ধরে রাখতে পারলে নকআউট পর্বের পথে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ এগিয়ে যাবে এশিয়ার এই দলটি।

গ্রুপ এফের সমীকরণে এই ম্যাচের ফলাফল বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ