যানবাহনের বডি বা সামনের কাচে ফিটনেস সনদ দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে দ্রুত সাড়াদানকারী দল গঠন, বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে গণপরিবহনের ভেতরে ও বাইরে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা স্থাপন এবং একতলা বাসকে অবৈধভাবে ডাবল ডেকারে রূপান্তর বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
রোববার, ২৬ জুলাই সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ফিটনেসবিহীন ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের চলাচল বন্ধের দাবিতে করা একটি জনস্বার্থমূলক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ রুল জারি করেন।
বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বসন্তপুর এলাকায় সেন্টমার্টিন পরিবহনের একটি বাস দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান রিট আবেদনটি করেন। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী।
রুলে বাহাউদ্দিন আল ইমরানকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ক্ষতিপূরণ চেয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে করা তার আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।