ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত

৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

বাংলাদেশে বাজারজাত বেশিরভাগ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পরিবেশবিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা এসডো।

রোববার রাজধানীতে সংস্থাটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক বছরব্যাপী গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়।

এসডো জানায়, গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকার দুই হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানো হয়েছে। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

গবেষণায় স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি এবং ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নমুনাগুলোতে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্তের চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টি টুথপেস্টের মধ্যে ২২টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। ভারতে উৎপাদিত পাঁচটির মধ্যে একটিতে এবং থাইল্যান্ডে তৈরি দুটি টুথপেস্টের মধ্যে একটিতে এই উপাদান শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ভিয়েতনামে উৎপাদিত দুটি টুথপেস্টের দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এসডো।

গবেষণার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হিসেবে শিশুদের জন্য তৈরি টুথপেস্টের ফলাফল তুলে ধরা হয়। পরীক্ষা করা ছয়টি শিশুদের টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

এসডোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দৈনন্দিন ব্যবহারের পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণা, নিয়মিত মান পরীক্ষা এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন রয়েছে।

ট্যাগ : মাইক্রোপ্লাস্টিক টুথপেস্ট পরিবেশ গবেষণা

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে বাজারজাত বেশিরভাগ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পরিবেশবিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা এসডো।

রোববার রাজধানীতে সংস্থাটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক বছরব্যাপী গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়।

এসডো জানায়, গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকার দুই হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানো হয়েছে। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

গবেষণায় স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি এবং ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নমুনাগুলোতে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্তের চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টি টুথপেস্টের মধ্যে ২২টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। ভারতে উৎপাদিত পাঁচটির মধ্যে একটিতে এবং থাইল্যান্ডে তৈরি দুটি টুথপেস্টের মধ্যে একটিতে এই উপাদান শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ভিয়েতনামে উৎপাদিত দুটি টুথপেস্টের দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এসডো।

গবেষণার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হিসেবে শিশুদের জন্য তৈরি টুথপেস্টের ফলাফল তুলে ধরা হয়। পরীক্ষা করা ছয়টি শিশুদের টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

এসডোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দৈনন্দিন ব্যবহারের পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণা, নিয়মিত মান পরীক্ষা এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন রয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ