রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়েছে। নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার (২৪ জুলাই) সেই বিধান অনুসারে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা কিংবা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সে অনুযায়ী হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির কার্যাবলি সম্পাদন করবেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদ পরিচালনায় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ওই পদ পূরণে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন।
জাতীয় সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে দলটির শীর্ষপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
তবে বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয়নি। ফলে আলোচনায় থাকা ব্যক্তিদের নামকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।