ইরানের বৃহত্তর তুনব দ্বীপে টানা প্রায় ৯০ মিনিট হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। বুধবার, ১৫ জুলাই পরিচালিত এই অভিযানে দ্বীপটির উপকূলীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে। তবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
সেন্টকমের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে আনতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সর্বশেষ দফার হামলা শেষ হয়েছে। অভিযানের সময় বৃহত্তর তুনব দ্বীপে থাকা উপকূলীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এবং উৎক্ষেপণকেন্দ্রে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ধরে হামলা চালানো হয়।
অন্যদিকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে তেহরান।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ বহাল থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, হরমুজ প্রণালি এখনো বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে অন্তত দুটি জাহাজ থামানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে আইআরজিসি।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন নৌ-অবরোধের ঘোষণা দেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের জাহাজ ছাড়া অন্য দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের জন্য প্রণালিটি খোলা থাকবে।
সূত্র : আল জাজিরা
মন্তব্যসমূহ