রাজধানীর অভিজাত ও নতুন আবাসিক এলাকাগুলোর বাসিন্দারা দেশের শিক্ষিত ও সচ্ছল শ্রেণির নাগরিক। তাদের সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ ঢাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহরে রূপ দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নগর ভবনে আয়োজিত ‘নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: আমার আপনার সকলের দায়িত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বনানী, গুলশান, বারিধারা, বসুন্ধরাসহ রাজধানীর বিভিন্ন আধুনিক আবাসিক এলাকায় মূলত শিক্ষিত ও সচ্ছল মানুষের বসবাস। এসব এলাকার বাসিন্দারা যদি পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হন, তাহলে পুরো শহরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। নাগরিকদের নিয়ে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারলে শহরের পরিবেশ উন্নত করা সম্ভব।
শিশুদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস তৈরি করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, স্কুল পর্যায় থেকেই শিশুদের শেখাতে হবে নিজের চারপাশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শহর পরিষ্কার রাখার বিষয়ে।
সেমিনারে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকদের আইন মানার প্রবণতা বাড়ার উদাহরণ তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ক্যামেরা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার মানুষের মধ্যে নিয়ম মানার সচেতনতা তৈরি করছে।
তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ম ভঙ্গকারীদের শনাক্ত ও জরিমানার ব্যবস্থা থাকায় মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি সতর্ক হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ নাগরিক দায়িত্ববোধ তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
মন্তব্যসমূহ