বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টায় আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত সেমিফাইনাল।
কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ের লড়াইয়ে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড।
এই ম্যাচ লিওনেল মেসির জন্য বিশেষ এক অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। দুই দশকের বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথমবার ইংল্যান্ড জাতীয় দলের বিপক্ষে মাঠে নামবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ লড়াই মানেই উত্তেজনা, বিতর্ক ও ইতিহাস। ১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় হয়ে আছে।
বিশ্বকাপে এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ইংল্যান্ড জিতেছে তিন ম্যাচে। আর্জেন্টিনা জিতেছে দুটিতে, যার মধ্যে ১৯৯৮ সালের জয়টি এসেছিল টাইব্রেকারে।
নকআউট পর্বে অবশ্য দুই দলের স্মরণীয় দুই লড়াইয়েই শেষ হাসি হেসেছে আর্জেন্টিনা। ১৯৮৬ সালে ২-১ গোলে জয়ের পর ১৯৯৮ সালের শেষ ষোলোয় টাইব্রেকারে ইংল্যান্ডকে বিদায় করেছিল আলবিসেলেস্তেরা।
দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৫ সালের নভেম্বরে। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচটিতে মাইকেল ওয়েনের শেষ সময়ের দুই গোলে আর্জেন্টিনাকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেও ডেভিড বেকহ্যামের পেনাল্টি গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ইংলিশরা।
এবার অতীতের হিসাব পেছনে ফেলে ফাইনালের টিকিটের জন্য লড়বে দুই ফুটবল পরাশক্তি। জয়ী দল ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যকার অন্য সেমিফাইনালের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে।
মন্তব্যসমূহ