যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ শুরুর উদ্যোগকে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার দ্বার উন্মোচিত হলেও নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না তেহরান।
শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান।
আরাগচি উল্লেখ করেন, তেহরানে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাঠানো চিঠিটি বিশদভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো ইতোমধ্যে কয়েকটি নতুন প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে।
কূটনৈতিক পথ খোলা রাখলেও সামরিক বাস্তবতার বিষয়ে কড়া বার্তা দেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র বা মিত্রদের পক্ষ থেকে ফের হামলা হতে পারে—এমন চরম ঝুঁকিকে তারা কোনোভাবেই খাটো করে দেখছেন না। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা খাতকে ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং সামরিক বাহিনী যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছে।
একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের কঠোর মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও বহুমুখী আন্তর্জাতিক চাপের বাস্তবতা স্বীকার করে আরাগচি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের কোনো চাপ বা হুমকির মুখে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না।
সূত্র: আল জাজিরা
মন্তব্যসমূহ